ক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরি



ক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরি।পরিক্রমণের পথে আমরা অতিক্রম করলাম আরোও একটি বছর এবং আরও একটি নতুন বছরের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়ে আছি বরণের অপেক্ষায়।ইতিমধ্যে আমরা সকলে হাতে পেয়ে গেছি এই নতুন বছরের নতুন ক্যালেন্ডার কিন্তু আপনাদের মনে কি কখনো এসেছে যে এই ক্যালেন্ডার তৈরীর ভাবনা এলো কিভাবে কিভাবে হলো এর নামকরণ।আসুন কখন,কিভাবে,কোথায়,কে আবিস্কার করলো এই ক্যালেন্ডার সম্পর্কে জেনে নিন।

ক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরি

পেজ সূচীপত্রঃক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

ক্যালেন্ডার তৈরীর আদি ইতিহাস

দৈনন্দিন ব্যবহার করি এমন একটি জিনিষের ইতিহাস আজ আমরা জেনে নিব।মানুষ সভ্যতার ইতিহাস থেকে ক্যালেন্ডারের হিসাব রাখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন একটা ব্যপার হয়ে দাড়িয়েছিল।মানুষেরা দিনদিন যখন সভতার দিকে আগাচ্ছিল তখন তাদের যে বিষয়টা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন হয়ে দিাড়িয়েছিল সেই হিসাবটা হলো ক্যালেন্ডার।আসুন জেনে নেওয়া যাক ক্যালেন্ডারের কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্য।

ক্যালেন্ডার শব্দটির বাংলা আভিধানিক অর্থ হলো ”বর্ষপুঞ্জ”,মুলত ”ক্যালেন্ড” শব্দ থেকেই ক্যালেন্ডার কথাটি এসেছে।এই শব্দটি প্রাচীন ফরাসি ভাষায় ক্যালেন্ডিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হতো।তারপর ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ইংরেজি ক্যালেন্ডার শব্দটি গৃহীত হয়।আবার ল্যাটিন ভাষায় ক্যালেন্ডিরিয়ান শব্দের অর্থ হিসেবের খাতা।যেখানে ক্যালেন্ডারে প্রতিমাসের হিসেব-নিকেশ,ঋন সংক্রান্ত সবকিছু বিষয় লিখে রাখা হতো। আর ভারতবর্ষে শব্দটির অর্থ ”কালগণক” পূর্ণিমা অমাবস্যা থেকে শুরু করে বিভিন্ন তিথি নক্ষত্র গণিত জ্যোতিষের নানান বিষয়ের আভাস পাওয়া যায় এই কালগণক থেকে।

পৃথিবীর প্রথম ক্যালেন্ডার ১৩ হাজার বছরের প্রাচিন ইতিহাস।মানব সভ্যতার সেই আদি লগ্নে প্রাচিন কালের ক্যারেন্ডার দেখতে কেমন ছিল। আজ থেকে প্রায় ১৩ হাজার বছর আগে দক্ষিণ তুরস্কের গো ব্যাকলি ট্যাপেতে সেই প্রস্তর যুগের মানুষেরা সূর্য চাঁদ ও বিভিন্ন নক্ষত্রপুঞ্জ এর বিভিন্ন তথ্য সমৃদ্ধ একটি বর্ষপঞ্জ আবিষ্কার করেছিল।গবেষকদের মতে সেই বর্ষপঞ্জটি হলো বিশ্বের প্রাচীনতম ক্যালেন্ডার । 

এই প্রাচীনতম ক্যালেন্ডারটি মূলত একটি স্তম্ভের মধ্যে খোদাই করা রয়েছে এই ক্যালেন্ডারটি গবেষকরা বিশ্বাস করেন প্রাচীনকালের মানুষেরা ঋতু পরিবর্তনের জন্য ক্যালেন্ডারটি তথাকথিত সেই লোনি সোলার অর্থাৎ চাঁদ আর সূর্যের সাথে সম্পর্কিত এই ক্যালেন্ডারটি ব্যবহার করেছিল।বিজ্ঞানীরা মনে করেন আধুনিক যুগের এই সৌর ক্যালেন্ডারের সাথে গভীর সাদৃশ্য রয়েছে।

আজ ইংরেজি ক্যালেন্ডারের প্রথম ডিসেম্বর ২০২৫ সালে আমি এই আর্টিকেল টি লিখছি আর যারা আর্টিকেল টা পড়ছেন  বা দেখছেন পরে অন্য কোন একদিন সেদিনের ও আলাদা একটি তারিখ রয়েছে কিন্তু কথা হলো এই যে তারিখ (০১-১২-২০২৫) কিভাবে প্রথম দিন ধরা হলো। কবে সেই দিনটি?আর সেই দিনটিকেই কেন প্রথম দিন করা হলো,আগে মানুষ কিভাবে ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতো। 

ক্যালেন্ডার কিভাবে তৈরি হলো,সারা পৃথিবীতে কি এই একটাই ক্যালেন্ডার মেনে চলা হয় তাহলে হিজরি, বঙ্গাব্দ, খৃস্টাব্দ এগুলো কি।তাছাড়া আরো অনেক কিছু জানতে পারবে না আজকের এই আর্টিকেল থেকে।খুব গুরুত্বপূর্ন  আলোচনা থাকছে এই আর্টিকেলের মধ্যে তাই সম্পূর্ন  আর্টিকেলটি পড়ার অনুরোধ রইলো।

প্রিয় পাঠক আপনাকে ক্যালেন্ডারের ইতিহাস জানতে হলে বুঝতে হবে যে ইতিহাসকে দুটি অংশে ভাগ করা হয়েছে। একটি হলো যিশুখ্রিস্টের জন্মের আগের সময়ের ইতিহাস অর্থাৎ খ্রিস্ট পূর্ব এবং আরেকটি হলো যিশুখ্রিস্টের জন্মের পরের ইতিহাস অর্থাৎ খ্রিস্টাব্দ।মানুষ সভ্যতার ইতিহাস থেকে ক্যালেন্ডারের হিসাব রাখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন একটা ব্যপার হয়ে দাড়িয়েছিল।মানুষেরা দিনদিন যখন সভতার দিকে আগাচ্ছিল তখন তাদের যে বিষয়টা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন হয়ে দিাড়িয়েছিল।

 সেই হিসাবটা হলো ক্যালেন্ডার।এই হিসাব রাখতে গিয়ে মানুষেরা যুগের পরিক্রমাই অনেক ধরনের ক্যালেন্ডার আবিস্কার করেছিল।সেই হিসাবে আমরা যদি বলি ব্রঞ্জযুগ থেকে শুরু করে অধ্যাবদি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতিরা বিভিন্ন রকম ক্যারেন্ডার আবিস্কার করেছে।

পৃথিবীতে কত ধরনের ক্যালেন্ডার আছে।

ক্যালেন্ডার সূচনা প্রাথমিক পর্বের ইতিহাস যদি আমরা পর্যালোচনা করি তাহলে আমরা যেটা জানতে পারি যিশুখৃস্টের জন্মের পর প্রায় ৩০০০ বছরেও পূর্বে ব্রঞ্জ যুগের ক্যালেন্ডারের সুচনা হয়।প্রাথমিক অবস্থায় ব্যবিলিয়নরা এবং মিশরিয়ানরা চন্দ্র এবং সূর্য্যের ঘূর্নায়নের উপর হিসেব করে তারা ক্যালেন্ডার আবিস্কার করেছিল।বিশেষ করে ব্যবিলিয়নরা ২৯ এবং ৩০ দিনের হিসেব করে নোনিসোলার ক্যালেন্ডার আবিষ্কার করেছিল।

নোনিসোলার ক্যালেন্ডার মুলত চন্দ্র এবং সুর্য্য এর সমন্বয়ে তৈরী।ঐসময় মিশরিয়রা নীলনদের বন্যার যে হিসাব সেই হিসাব অনুযায়ী তারা একটি সৌর ক্যালেন্ডার আবিস্কার করেছিল।মুলত নীলনদের প্রতি বছরে যে সময়টাতে বন্যা হতো সেই সময়টাকে হিসেব করে তারা একটি সৌর ক্যালেন্ডার আবিস্কার করতে সক্ষম হয়েছিল যে ক্যালেন্ডারে ছিল ১২ মাস এবং প্রতি মাসে ছিল ৩০ দিন করে এবং সেই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তারা প্রতি বছরকে হিসাব করতো(৩০ x ১২)=৩৬০ দিন অনুযায়ী তবে বছরান্তে তারা সেই ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অতিরিক্ত ৫ দিন যুক্ত করে ৩৬৫ দিনের ক্যালেন্ডার আবিস্কার করেছিল।


এছাড়াও অমরাব দেখতে পায় পৃথিবীতে আরও কিছু প্রাচীন ক্যালেন্ডার আছে যেমন সুমেরিও বর্ষপুঞ্জি, মিশরীয় বর্ষপঞ্জি, আশিরিও বর্ষপঞ্জি,এলামাইট বর্ষপঞ্জি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

 আর আজকে আমরা যে ক্যালেন্ডার টি ব্যবহার করছি তা মোটামুটি ৬০০ বছর অনেক আগে থেকে মানুষ ব্যবহার করতে শুরু করেছে। কিন্ত এর আগে থেকেই মানুষ নানাভাবেই মাসের,বছরের হিসাব করতো। মানুষ প্রথম তারিখের গননা শুরু করেছিল চাঁদের বিভিন্ন অবস্থান দেখে,তখন মাসের বিভিন্ন সময়কে চিহ্নিত করা হতো চাঁদের বিভিন্ন অবস্থান দেখে আর দিনে বেলার হিসেব করতো সূর্য্যের অবস্থান দেখে। বছরের হিসেব গণনা করতে শিখেছে তারও অনেক পরে,বছরে বিভিন্ন ঋতুতে সূর্য্যের বিভিন্ন অবস্থান ও পূনরায় সেই ঋতুর ফিরে আসা হিসেব ধরে।সূর্য্যের  হিসেব ধরে সৌর বছর গণনা করা হতো।

বিভিন্ন দেশের বর্ষ বরণ উদযাপন

প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে দক্ষিণ আমেরিকায় অবস্থিত একটি ছোট্ট দেশ ইকুইটিয়া বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ শে ডিসেম্বর এ দেশের প্রত্যেকটি পরিবার একটি করে কাকতাড়ুয়া তৈরি করেন আর মাঝরাতে সেই কাকতাড়ুয়াটিকে পুড়িয়ে পুরাতন বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাই এই অদ্ভত সংস্কৃতি পালনের ক্ষেত্রে বিশ্বাস করেন কাকতাড় অপরাধে তাদের দুর্ভাগ্য বিদায় নিবে আর তার সাথে নতুন বছর হয়ে উঠবে সুখ সমৃদ্ধিময়।

এবার আশি পূর্ব এশিয়ার একটি অন্যতম দেশ জাপানের প্রসঙ্গে এই জাপানের মানুষেরা নতুন বছরকে বরণ করেন ঘন্টা ১০৮ টি আসন্ন বিপদ কেটে যাবে সত্যি কি সংস্কৃতি আর বিশ্বাস। এবার আপনাদের জানাবো প্রতিবেশী দেশ চীনের প্রসঙ্গে চীনের বর্ষবরণ উৎসবে থাকে রঙের ছড়াছড়ি তারা বাড়ির সামনের দরজায় লাল রং করে আর বড়রা লাল খামে টাকা ভরে ছোটদের দেন রাতে আকাশে দেখা যায় আতশবাজির ঝলকানি তাদের মতে আতশবাজির শব্দ অশুভ আত্মাকে দূরে ঠেলে যায়।

উত্তর আমির আমেরিকার অন্যতম প্রধান একটি দেশ মেক্সিকো ইংরেজি নববর্ষ পালনের বিষয় মেক্সিকানরা বছরের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ শে ডিসেম্বর তাদের পূর্বপুরুষ মৃত্যু ব্যক্তিদের আত্মার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন এমনকি তাদেরকে নববর্ষের শুভেচ্ছা বার্তাও প্রেরণ করে থাকেন।মেক্সিকানরা বিশ্বাস করেন প্রিয় ব্যক্তিদের আত্মা তাদের কথা শুনতে পায় এবং সেই মৃত্যু ব্যক্তিদের শুভেচ্ছা প্রেরণ করে তারা নতুন বছরকে বরণ করে নেন।

সৌর গণনায় ঋতুর সম্পর্ক ছিল কিন্ত চন্দ্র গণনায় কোন খৃতুর সম্পর্ক ছিলনা।অনুমান করা হয় যিশুখৃষ্টের জন্মের প্রায় ২০০০ বছর আগে থেকেই মেসোপটেমীয়ার বর্ষ  বরণ শুরু হয়।কিন্ত তখন জানুয়ারি মাসের এক তারিখে বর্ষ বরণ পালন করা হতো না।তখন নিউ ইয়ার পালন করা হতো বসন্তের শুরুতে।যখন শীতকালের শেষে প্রকৃতি যখন গাছে গাছে ডালপালায় পাতা গজাতে থাকে,গাছপালা ফুলে ফুলে ভরে উঠতো তখনি তারা নতুন বছর হিসেব করতো।

 এরপরে রোমের প্রথম সম্রাট রোবুলাশ আনুমানিক ৭৩৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমান ক্যালেন্ডার চালু করার চেষ্টা করেন যেখানে মার্চ মাসকে বছরের প্রথম ধরা হতো অর্থ্যৎ শীতের দুই মাসকে ধরা হতো না।৩০৪ দিনে তখন বছর হিসাব করা হতো।আর বছরের প্রথম জানুয়ারি মাসের নামকরণ করা হয় রোমানদের দেবতা জানুষের নামে আর লাতিন শব্দ জানুষ এর অর্থ হলো দরজা আর দরজা মানেই ইংরেজি নতুন বছরের আগমন বা ইংরেজি নতুন বছরের শুরু। 

বিভিন্ন সময়ে ক্যালেন্ডারের সংস্কার

রোমানরা প্রজাতন্ত্রের প্রাথমিক সময়ে চাঁদের হিসেব অনুযায়ী তারা একটি ক্যালেন্ডার তৈরী করেছিল কিন্ত সেই ক্যালেন্ডারে বিভিন্ন ভুলত্রুটি ধরা পড়েছিল।পরবর্তীতে ৪৫ খ্রিস্টাব্দপূর্বাব্দ সময়ে জুলিয়াস সিজার ক্ষমতায় আসার পরে নিজ উদ্যেগে তিনি নিজের নামে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার আবিস্কার করেন।এই জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ক্যালেন্ডার হিসাবে উন্মেচিত হয়েছিল।যেটি তৈরী করা হয়েছিল মুলত মিশরিয় মানব সভ্যতার যে সৌর ক্যালেন্ডার ছিল সেই সৌর ক্যালেন্ডারের আদলে।

পরবর্তীকালে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই দুই মাসকে যুক্ত করা হয়।আর জানুয়ারি মাসকে বছরের প্রথম মাস ধরা হয়।তারপরে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার মিশরিয়া ক্যালেন্ডার কে রোমে চালু করেন।তিনি জ্যোতিরবিদদের পরামর্শে এই ক্যালেন্ডারকে সংস্কার করে নতুন করে তুলে ধরেন।জুলিয়াস সীজারের নাম অনুসারে একটি মাসের নাম রাখা হয়”জুলাই’,অন্যদিকে সম্রাট অগাস্টাসে এর নামানুসারে একটি মাসের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়”আগষ্ট” বর্তমানের এই ক্যালেন্ডারটির ব্যবহার করার সুপারিশ করা হয়।


এই জুলিয়ান ক্যালেন্ডার দীর্ঘ সময় ধরে মানব সভ্যতার সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা জুড়ে ছিল।এই জুলিয়ান ক্যালেন্ডার লিপিয়ার তৈরীতেও ভুমিকা রেখেছিল।জুলিয়ান ক্যালেন্ডার প্রায় ১৬০০ বছরেও সময় ধরে ইউরোপিয়ান বা পশ্চিমাদের আস্থার জায়গা হিসাবে তাদের সময় নির্ধারনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে আসছিল।এত নির্ভুলতা হয়েও জুলিয়াস সিজারের প্রবর্তিত জুলিয়ান ক্যালন্ডোরে কিছু ভুলত্রুটি ধরা পড়েছিল।
   
 পরবর্তি  সময়ে   ১৫৮২ সালে তখন রোমের পোপ ছিলেন ত্রয়োদশ গ্রেগ্ররী তার পরামর্শে জুলিয়ান ক্যালেন্ডার সংশোধন করে গ্র্যাগোরিয়ান ক্যালেন্ডার তৈরী করে বর্তমান রুপ দেওয়া হয়।  সেই থেকেই এই ক্যালেন্ডারের নাম দেওয়া হয় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার যা আমাদের দেশে ইংরেজি ক্যালেন্ডার নামে পরিচিত।সেই গ্র্যাগোরিয়ান ক্যালেন্ডারি বর্তমান বিশ্বের আন্তর্জাতিকভাবে স্বিকৃত De Facto ক্যারেন্ডার নামে পরিচিত।তারপর থেকেই এই ক্যালেন্ডার প্রচলিত রয়েছে আমাদের দেশে যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার নামে পরিচিত এবং এরপর থেকে আমরা সবাই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করছি।

বিদ্যমান ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশের জাতীয় ক্যালন্ডোর

এই তো গেল ইংরেজি ক্যালেন্ডারের ইতিহাস।ঠিক তেমনি আমরা ইসলামি দেশগুলিতে হিজরি নামের ক্যালেন্ডারের প্রচলন রয়েছে। প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ যেদিন মক্কা ছেড়ে মদিনায় রওনা দিয়েছিলেন সেদিন থেকেই এক তারিখ ধরে এই হিজরি ক্যালেন্ডার গণনা শুরু করেন বর্তমানে ১৪৪৮ হিজরি চলছে।হিজরি ক্যালেন্ডার প্রায় ৬০০ বছর কম হয় এই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে হিজরি ক্যালেন্ডার শুরু হয় যিশুখ্রিস্টের জন্মের ৬০০ বছর পরে।

আমরা বাঙ্গালিরাও এই বিষয়ে পিছিয়ে নাই আমাদের নিজস্ব বাঙালি ক্যালেন্ডার রয়েছে আমাদের ক্যালেন্ডারের নাম হলো বঙ্গাব্দ যা ৯৬৩ হিজরিতে সম্রাট আকবর চালু করেন।বর্তমানে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ চলছে। চীন দেশেও তাদের নিজস্ব চায়নিজ ক্যালেন্ডার রয়েছে যার নাম চিনা ক্যালেন্ডার যা চীনের রাজা হুয়াং দি চালু করেছিলেন।

তাছাড়া ভারতেরও একটি জাতীয় ক্যালেন্ডার রয়েছে যা সাকা ক্যালেন্ডার নামে পরিচিত।সাকা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৯৪৫ সাকা অব্দ চলছে যা ইংরেজি ক্যালেন্ডারের চেয়ে ৮০ বছরের ব্যবধান রয়েছে।ভারতের এই জাতিয় ক্যালেন্ডার সাকা যুগের সুচনা হয়েছিল।সাতবাহন সম্রাজ্যের রাজা সালিভানহান রাজা এই সাকা ক্যালেন্ডার চালু হয়।সাকা ক্যান্ডোরেও ৩৬৫ দিন ও ১২ মাস রয়েছে যা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এর অনুরুপ।

এখন কথা হলো তাহলে সব দেশ কেন ইংরেজি ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে?আসলে দ্বিতীয় বিশ্ব্য যুদ্ধের পর যখন পৃথিবীর সব দেশে শান্তি চলে আসে তখন পৃথিবীর সব দেশেই আন্তর্জাতিক ব্যবসা বানিজ্য চলতে থাকে সেই থেকেই  ইংরেজি ক্যালেন্ডার চালু করা হয়েছে আসলে আন্তর্জাতিকভাবেই চলতে থাকে অনুসরণ করতে থাকে যাতে আন্তর্জাতিকভাবে একটি তারিখ ঠিক করা যায়।তাছাড়া ১০০/২০০ বছর আগে যখন ইউরোপিয় দেশগুলোর শাষন চলছিল সারা পৃথিবীজুড়ে তখন থেকেই কিন্ত এই ইংরেজি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু হয়েছিল

 যেমন আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে যখন ইংরেজরা শাসন করছিল তখন ইংরেজরা ইংরেজি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যাবহার করতেন তখন থেকেই চালু হয়েছিল এইভাবে সারা দেশেই যেমন ফ্রান্স,পর্তুগিজ,ইংল্যান্ড,স্পেন প্রভৃতি ইউরোপিয় দেশগুলি।           

 ক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরি

ইংরেজি ক্যালেন্ডার ২০২৬ ও আরবি ১২ মাসের ক্যালেন্ডার ১৪৪৭ হিজরি এই আর্টিকেলে আরবি ও ইংরেজি ও বাংলা তারিখে যত ইসলামিক দিবস ও সরকারি বিভিন্ন দিবস,সরকারি ছুটিসহ বিস্তারিত পেয়ে যাবেন। আসুন তাহলে ইংরেজি,বাংলা ও আরবি মাসে যথাক্রমে ২০২৬,১৪৩২/৩৩ ও ১৪৪৭/৪৮ সালে/হিজরিতে কোন তারিখে কোন দিবস গুলো আছে যাতে আমরা সরকারি ও ইসলামি দিবস গুলো যাতে মিস না হয়।

জানুয়ারি ২০২৬

 ( ইংরেজি- জানুয়ারি ২০২৬,বাংলা -পৌষ-মাঘ ১৪৩২, আরবি-রজব-শাবান ১৪৪৭ হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৭ পৌষ ১৪৩২ ১১ রজব ১৪৪৭
০২ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ১৮ পৌষ ১৪৩২ ১২ রজব ১৪৪৭
০৩ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার ১৯ পৌষ ১৪৩২ ১৩ রজব ১৪৪৭
০৪ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার ২০ পৌষ ১৪৩২ ১৪ রজব ১৪৪৭
০৫ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার ২১ পৌষ ১৪৩২ ১৫ রজব ১৪৪৭
০৬ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ২২ পৌষ ১৪৩২ ১৬ রজব ১৪৪৭
০৭ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার ২৩ পৌষ ১৪৩২ ১৭ রজব ১৪৪৭
০৮ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৪ পৌষ ১৪৩২ ১৮ রজব ১৪৪৭
০৯ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ২৫ পৌষ ১৪৩২ ১৯ রজব ১৪৪৭
১০ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার ২৬ পৌষ ১৪৩২ ২০ রজব ১৪৪৭
১১ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার ২৭ পৌষ ১৪৩২ ২১ রজব ১৪৪৭
১২ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার ২৮ পৌষ ১৪৩২ ২২ রজব ১৪৪৭
১৩ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ২৯ পৌষ ১৪৩২ ২৩ রজব ১৪৪৭
১৪ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার ৩০ পৌষ ১৪৩২ ২৪ রজব ১৪৪৭
১৫ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০১ মাঘ ১৪৩২ ২৫ রজব ১৪৪৭
১৬ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ০২ মাঘ ১৪৩২ ২৬ রজব ১৪৪৭
১৭ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার ০৩ মাঘ ১৪৩২ ২৭ রজব ১৪৪৭
১৮ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার ০৪ মাঘ ১৪৩২ ২৮ রজব ১৪৪৭
১৯ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার ০৫ মাঘ ১৪৩২ ২৯ রজব ১৪৪৭
২০ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ০৬ মাঘ ১৪৩২ ৩০ রজব ১৪৪৭
২১ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার ০৭ মাঘ ১৪৩২ ০১ শাবন ১৪৪৭
২২ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৮ মাঘ ১৪৩২ ০২ শাবন ১৪৪৭
২৩ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ০৯ মাঘ ১৪৩২ ০৩ শাবন ১৪৪৭
২৪ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার ১০ মাঘ ১৪৩২ ০৪ শাবন ১৪৪৭
২৫ জানুয়ারি ২০২৬ রবিবার ১১ মাঘ ১৪৩২ ০৫ শাবন ১৪৪৭
২৬ জানুয়ারি ২০২৬ সোমবার ১২ মাঘ ১৪৩২ ০৬ শাবন ১৪৪৭
২৭ জানুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ১৩ মাঘ ১৪৩২ ০৭ শাবন ১৪৪৭
২৮ জানুয়ারি ২০২৬ বুধবার ১৪ মাঘ ১৪৩২ ০৮ শাবন ১৪৪৭
২৯ জানুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৫ মাঘ ১৪৩২ ০৯ শাবন ১৪৪৭
৩০ জানুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ১৬ মাঘ ১৪৩২ ১০ শাবন ১৪৪৭
৩১ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার ১৭ মাঘ ১৪৩২ ১১ শাবন ১৪৪৭

  • সরকারি ছুটি

  • জানুয়রি মাসে কোন সরকারি ছুটি নাই

ফেব্রুয়ারি ২০২৬

 ( ইংরেজি-ফেব্রুয়ারি ২০২৬,বাংলা -মাঘ-ফালগুন ১৪৩২,আরবি-শাবান-রমজান ১৪৪৭ হিজরি।)
ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার ১৮ মাঘ ১৪৩২ ১২ শাবান ১৪৪৭
০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার ১৯ মাঘ ১৪৩২ ১৩ শাবান ১৪৪৭
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ২০ মাঘ ১৪৩২ ১৪ শাবান ১৪৪৭
০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার ২১ মাঘ ১৪৩২ ১৫ শাবান ১৪৪৭
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২২ মাঘ ১৪৩২ ১৬ শাবান ১৪৪৭
০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ২৩ মাঘ ১৪৩২ ১৭ শাবান ১৪৪৭
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার ২৪ মাঘ ১৪৩২ ১৮ শাবান ১৪৪৭
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার ২৫ মাঘ ১৪৩২ ১৯ শাবান ১৪৪৭
০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার ২৬ মাঘ ১৪৩২ ২০ শাবান ১৪৪৭
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ২৭ মাঘ ১৪৩২ ২১ শাবান ১৪৪৭
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার ২৮ মাঘ ১৪৩২ ২২ শাবান ১৪৪৭
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৯ মাঘ ১৪৩২ ২৩ শাবান ১৪৪৭
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ৩০ মাঘ ১৪৩২ ২৪ শাবান ১৪৪৭
১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার ০১ ফালগুন ১৪৩২ ২৫ শাবান ১৪৪৭
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার ০২ ফালগুন ১৪৩২ ২৬ শাবান ১৪৪৭
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার ০৩ ফালগুন ১৪৩২ ২৭ শাবান ১৪৪৭
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ০৪ ফালগুন ১৪৩২ ২৮ শাবান ১৪৪৭
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার ০৫ ফালগুন ১৪৩২ ২৯ শাবান ১৪৪৭
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৬ ফালগুন ১৪৩২ ০১ রমজান ১৪৪৭
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ০৭ ফালগুন ১৪৩২ ০২ রমজান ১৪৪৭
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার ০৮ ফালগুন ১৪৩২ ০৩ রমজান ১৪৪৭
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার ০৯ ফালগুন ১৪৩২ ০৪ রমজান ১৪৪৭
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সোমবার ১০ ফালগুন ১৪৩২ ০৫ রমজান ১৪৪৭
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার ১১ ফালগুন ১৪৩২ ০৬ রমজান ১৪৪৭
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বুধবার ১২ ফালগুন ১৪৩২ ০৭ রমজান ১৪৪৭
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৩ ফালগুন ১৪৩২ ০৮ রমজান ১৪৪৭
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শুক্রবার ১৪ ফালগুন ১৪৩২ ০৯ রমজান ১৪৪৭
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার ১৫ ফালগুন ১৪৩২ ১০ রমজান ১৪৪৭

সরকারি ছুটি

  • ০৪ ফেব্রুয়ারি - শবে-বরাত
  • ২১ ফেব্রুয়ারি - শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

শবে বরাত

শবে বরাত ফারসি ভাষার শব্দ সব অর্থ রাত আর বরাত শব্দের অর্থ মুক্তি,শান্তি,সৌভাগ্য আরবীতে একে বলে লাইলাতুল বরাত সৌভাগ্য রজনী।হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী মহান আল্লাহ এই রাতে বান্দাদের গুনাহ মাফ করে দেন জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।শবে বরাত পালন কবে থেকে শুরু হয়েছে এমন প্রশ্ন অনেকেই করে থাকেন।এই রাত মহিমান্বিত এক রাত।এ রাতে অসংখ্য বান্দা মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমা ও কল্যাণ লাভ করেন।প্রতিবছর হিজরী ক্যালেন্ডার এর শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতে শবে বরাত পালন করা হয।

একদিন গভীর রাতে রসূলুল্লাহ সাল্লাম নামাজ পড়ছিলেন নামাজ পড়ার সময় তিনি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে দীর্ঘ সেজদা করেন এভাবে দীর্ঘ সেজদা করতে দেখে হযরত আয়েশা (রাঃ)সন্দেহ করেন রাসুলুল্লাহ (সাঃ)হয়তো নামাজ পড়তে গিয়ে ইন্তেকাল করেছেন।হযরত আয়েশা তখন তার সন্দেহ দূর করার জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বৃদ্ধাঙ্গুলি টা ধরে নাড়া দেন।তাতে রাসুল আল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙ্গুল নাড়িয়ে সাড়া দেন।এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেজদা থেকে উঠে নামাজ শেষ করে হযরত আয়েশাকে বলেন হে আয়েশা তোমার কি ধারনা আল্লাহর রাসূল তোমার হক নষ্ট করবেন।

হযরত আয়েশা (রাঃ)তখন উত্তরে বলেন না ইয়া রাসুল আল্লাহ আপনার দীর্ঘক্ষণ সেজদা করা দেখে আমি শংকিত হয়ে পড়েছিলাম,আমার মনে হয়েছিল আপনি হয়তো ইন্তেকাল করেছেন।তাই আমি আমার সন্দেহ মিটানোর জন্য আপনার আঙ্গুল নেড়ে আপনাকে পরীক্ষা করে দেখছিলাম আপনি জীবিত আছেন কিনা।নবীজি তখন আয়েশা (রাঃ) কেজিজ্ঞেস করেন,তুমি কি জানো আজকের রাতটা কি রাত?আয়েশা তখন নবীজিকে বলেন,আল্লাহ ও তার রসুলই আমার অপেক্ষা ভালো জানবেন আজকের রাতটার তাৎপর্য কি।তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেন আজকের রাতটা হলো অর্ধ সাবানের রাত।মহান আল্লাহ তাআলা অর্ধ  শাবানের রাতে তাঁর বান্দার সব প্রার্থনা মনোযোগ সহকারে শোনেন। 


যারা ক্ষমাপ্রার্থী তাদের পাপ ক্ষমা করে দেন আর যারা অনুগ্রহ প্রার্থী তাদের অনুগ্রহ করেন,তাদের বরকত প্রদান করেন আর যারা বিদ্বেষ পোষণকারী তাদের ক্ষমা না করে তাদের নিজের অবস্থাতেই ছেড়ে দেন।ইসলাম ধর্মে শবেবরাত বা লাইলাতুল বরাত আনন্দ উৎসব করার জন্য আল্লাহ তায়ালা দেননি।ইবাদতের জন্য দিয়েছেন।শাবান মাস রমজানের আগের মাস।রমজান মাস ছাড়া এই মাসে নবীজি সবচেয়ে বেশি রোজা রেখেছেন।সাহাবায়ে কেরাম নবীজিকে বলেন আগেকার যুগের উম্মত দীর্ঘ হায়াত বা জীবন পেতো আমরা তো অল্প কয়েকদিন বাঁচি তারা ইবাদতের দিক দিয়ে আমাদের থেকে এগিয়ে যাবেন তখন নবীজি কে আল্লাহ এমন কিছু রজনী দিয়েছেন।

এ রজনীগুলো তে এবাদত করলে অনেক অনেক সওয়াবের ভাগিদার হওয়া যায়।এমন কিছু রাতের মধ্যে শবে বরাতের রাত,শবে কদরের রাত,দুই ঈদের রাত ও আশুরার রাত রয়েছে এই পাঁচ রাতের এবাদত হাজার রাত এবাদতের চেয়ে উত্তম।এভাবেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের শেষ নবীর উম্মতের থেকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।ক্ষমার রাত শবে বরাত এটা হিজরী সাবান মাসে ১৪ তারিখ দিবাগত রাতকে বলা হয়।শবে বরাত ফারসি ভাষার শব্দ সব অর্থ রাত আর বরাদ্দ শব্দের অর্থ মুক্তি শান্তি সৌভাগ্য আরবীতে একে বলে লাইলাতুল বরাত সৌভাগ্য রজনী এ রাতে মহান আল্লাহ বান্দাকে ক্ষমা করেন তবে দুই ধরনের মানুষকে ক্ষমা করেন না।

এরা হলেন (১) অন্তরে হিংসা বিদ্বেষ পোষণকারী (২)মুশরিক ব্যক্তি।বর্ণিত হাদিসে আছে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন মহান আল্লাহ অর্ধ শাবানের রাতে অর্থাৎ সাবানের ১৪ তারিখে দিবাগত রাতে তার সৃষ্টির দিকে রহমতের দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন(সহিহ ইবনে হিব্বান ৫৬৬৫)। মহান আল্লাহ সবচেয়ে বেশি অপছন্দ করেন শিরককারীকে।আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করা সবচেয়ে বড় গোনাহ।তিনি কখনো ক্ষমা করবেন না।সরাসরি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে তুলনা করা কিংবা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো এবাদত করায় শিরক।

মহান আল্লাহ শিরকের গোনাহের পরিণতি সম্পর্কে ঘোষণা করেন,নিঃসন্দেহে আল্লাহ তার সঙ্গে শিরক করাকে ক্ষমা করবেন না তবে শিরক ছাড়া অন্যান্য যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করবেন।আর যে লোক আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার সাব্যস্ত করেন সে যেন অপবাদ আরোপ করে সূরা নিসা(৪৮)নাম্বার আয়াত। হিংসা একটি ভয়ংকর মন্দ স্বভাব।যার ফলে আমাদের অনেক নেক আমল,ভাল কাজ নেকি ও পূণ্য নষ্ট হয়ে যায়।হিংসা বা অহংকার মানুষের পতন ঘটায় রাসুল আল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন হিংসা থেকে সাবধান কেননা হিংসা নেকিকে এমন ভাবে ধ্বংস করে যেমন আগুন লাকড়ি ধ্বংস করে(আবু দাউদ ৪৯০৩)নাম্বার হাদিস।

হৃদয়ে লুকিয়ে থাকা এক ধ্বংসাত্মক ব্যাধির নাম হিংসা হিংসা মানুষকে তিলে তিলে ক্ষয় নিঃশেষ করে দেয় ও পরকালে উভয় জগতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।হযরত আবু হুরায়রা(লাঃ)বলেন নবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন তোমরা ধারণা করা থেকে বিরত থাকো ধারণা বড় মিথ্যার ব্যাপার।তোমরা দোষ তালাশ করোনা,গোয়েন্দাগিরি করোনাএকে অন্যের প্রতি বিদ্বেষভাব পোষণ করোনা্র এবং পরস্পর বিরোধে লিপ্ত হয়োনা বরং তোমরা সবাই আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।(বুখারি ৬০৬৪) শবে বরাতের পরের দিন শাবান মাসের ১৫ তারিখের সম্পর্কে একটা বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন হতে পারে মাঝেও হতে পারে আবার শেষও হতে পারে কিন্তু কিছু কিছু হাদিসে স্পষ্ট আছে যে নবীজি সাঃ সাহাবীদেরকে বিশেষভাবে মাসের ১৩ ১৪ ১৫ তারিখ রোজা রাখতে বলেছেন।(তিরমিজি ৭৬১) 

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা

একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের গর্বের দিন এই দিনটি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয় এই দিন আমাদের মাতৃভাষার অধিকার অর্জনের ইতিহাস বহন করে প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়। ১৯৫২সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্ররা আন্দোলন করে।সেই দিনে পুলিশের গুলিতে সালাম,রফিক,জব্বার বরকত সহ অনেকে শহীদ হন।তাঁরা আমাদের ভাষার জন্য বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে শহীদ হয়েছিল তাদের স্মরণে এ দিবস পালন করা হয়।এদিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ভাষা শহীদ সালাম রফিক,বরকত,শফিউল ও আরো অনেকের কথা স্মরণ করি।

ক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরি

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী যখন বাংলার পরিবর্তে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করতে চেয়েছিল তখন আমাদের তরুণরা জীবন দিয়ে বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা করেন।দিনটি উপলক্ষে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া শোক মিছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করে এ দিবস আমাদের মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা মর্যাদা ও সকল ভাষার প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা প্রদর্শনের শিক্ষা দেই।এটি আমাদের জন্য গর্বের যে ভাষা শহীদের আত্মত্যাগ আজ সারা বিশ্বের স্বীকৃত।

মার্চ ২০২৬

( ইংরেজি-মার্চ ২০২৬,বাংলা -ফালগুন-চৈত্র ১৪৩২, আরবি-রমজান-শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ মার্চ ২০২৬ রবিবার ১৬ ফালগুন ১৪৩২ ১১ রমজান ১৪৪৭
০২ মার্চ ২০২৬ সোমবার ১৭ ফালগুন ১৪৩২ ১২ রমজান ১৪৪৭
০৩ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার ১৮ ফালগুন ১৪৩২ ১৩ রমজান ১৪৪৭
০৪ মার্চ ২০২৬ বুধবার ১৯ ফালগুন ১৪৩২ ১৪ রমজান ১৪৪৭
০৫ মার্চ ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২০ ফালগুন ১৪৩২ ১৫ রমজান ১৪৪৭
০৬ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ২১ ফালগুন ১৪৩২ ১৬ রমজান ১৪৪৭
০৭ মার্চ ২০২৬ শনিবার ২২ ফালগুন ১৪৩২ ১৭ রমজান ১৪৪৭
০৮ মার্চ ২০২৬ রবিবার ২৩ ফালগুন ১৪৩২ ১৮ রমজান ১৪৪৭
০৯ মার্চ ২০২৬ সোমবার ২৪ ফালগুন ১৪৩২ ১৯ রমজান ১৪৪৭
১০ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার ২৫ ফালগুন ১৪৩২ ২০ রমজান ১৪৪৭
১১ মার্চ ২০২৬ বুধবার ২৬ ফালগুন ১৪৩২ ২১ রমজান ১৪৪৭
১২ মার্চ ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৭ ফালগুন ১৪৩২ ২২ রমজান ১৪৪৭
১৩ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ২৮ ফালগুন ১৪৩২ ২৩ রমজান ১৪৪৭
১৪ মার্চ ২০২৬ শনিবার ২৯ ফালগুন ১৪৩২ ২৪ রমজান ১৪৪৭
১৫ মার্চ ২০২৬ রবিবার ০১ চৈত্র ১৪৩২ ২৫ রমজান ১৪৪৭
১৬ মার্চ ২০২৬ সোমবার ০২ চৈত্র ১৪৩২ ২৬ রমজান ১৪৪৭
১৭ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার ০৩ চৈত্র ১৪৩২ ২৭ রমজান ১৪৪৭
১৮ মার্চ ২০২৬ বুধবার ০৪ চৈত্র ১৪৩২ ২৮ রমজান ১৪৪৭
১৯ মার্চ ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৫ চৈত্র ১৪৩২ ২৯ রমজান ১৪৪৭
২০ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ০৬ চৈত্র ১৪৩২ ৩০ রমজান ১৪৪৭
২১ মার্চ ২০২৬ শনিবার ০৭ চৈত্র ১৪৩২ ০১ শাওয়াল ১৪৪৭
২২ মার্চ ২০২৬ রবিবার ০৮ চৈত্র ১৪৩২ ০২ শাওয়াল ১৪৪৭
২৩ মার্চ ২০২৬ সোমবার ০৯ চৈত্র ১৪৩২ ০৩ শাওয়াল ১৪৪৭
২৪ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার ১০ চৈত্র ১৪৩২ ০৪ শাওয়াল ১৪৪৭
২৫ মার্চ ২০২৬ বুধবার ১১ চৈত্র ১৪৩২ ০৫ শাওয়াল ১৪৪৭
২৬ মার্চ ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১২ চৈত্র ১৪৩২ ০৬ শাওয়াল ১৪৪৭
২৭ মার্চ ২০২৬ শুক্রবার ১৩ চৈত্র ১৪৩২ ০৭ শাওয়াল ১৪৪৭
২৮ মার্চ ২০২৬ শনিবার ১৪ চৈত্র ১৪৩২ ০৮ শাওয়াল ১৪৪৭
২৯ মার্চ ২০২৬ রবিবার ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ০৯ শাওয়াল ১৪৪৭
৩০ মার্চ ২০২৬ সোমবার ১৬ চৈত্র ১৪৩২ ১০ শাওয়াল ১৪৪৭
৩১ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার ১৭ চৈত্র ১৪৩২ ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

সরকারি ছুটি

  • ১৭ মার্চ - শব-ই- ক্কদর
  • ১৯ মাছ - ঈদ-উল ফিতরের ২ দিন আগের দিন
  • ২০ মার্চ - ঈদ-উল ফিতরের দিন আগের দিন
  • ২১ মার্চ - ঈদ-উল-ফিতর
  • ২২ মার্চ -ঈদ-উল ফিতরের পরের দিন
  • ২৩ মার্চ - ঈদ-উল ফিতরের দ্বিতীয় দিন
  • ২৬ শে মার্চ - স্বাধিনতা ও জাতিয় দিবস

# ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল।

মহান স্বাধীনতা দিবস বা জাতিয় দিবস

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালের সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম।যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে।১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে।

২৫শে মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক,ছাত্র,শিক্ষক বুদ্ধিজীবী,পুলিশ ও ইপিআর কে হত্যা করে এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কশ সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙালিদের তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে।গ্রেফতার এর পূর্বে ২৬ শে মার্চের প্রথম প্রহরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

পরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধ যুদ্ধ,জীবন বাঁচাতে প্রায় এক কোটি মানুষ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে।পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস(ইপিআর) ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা কামি সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে মুক্ত করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তুলে মুক্তিবাহিনী।


গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে মুক্তিবাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলে।মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে।ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে তখন তারা মুক্তি বাহিনীর কাছে পরাজয়ের লজ্জা এড়াবার জন্য এবং মুক্তিযুদ্ধকে আন্তর্জাতিক সংঘর্ষে পরিণত করার উদ্দেশ্যে ৩ ডিসেম্বর ভারতের বিমান হামলার মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

অতঃপর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি ভাবে জড়িয়ে পড়ে।মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে ইতিমধ্যে পর্যদুস্ত ও হতদম্য পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসক্রস ময়দানে পাকিস্তান ৯৩ হাজার সৈন্য সহ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।এরই মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের অবসান হয়, প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

এপ্রিল ২০২৬

( ইংরেজি-মার্চ ২০২৬,বাংলা -চৈত্র ১৪৩২-বৈশাখ১৪৩৩,আরবি-শাওয়াল-জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার ১৮ চৈত্র ১৪৩২ ১২ শাওয়াল ১৪৪৭
০২ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৯ চৈত্র ১৪৩২ ১৩ শাওয়াল ১৪৪৭
০৩ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার ২০ চৈত্র ১৪৩২ ১৪ শাওয়াল ১৪৪৭
০৪ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার ২১ চৈত্র ১৪৩২ ১৫ শাওয়াল ১৪৪৭
০৫ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার ২২ চৈত্র ১৪৩২ ১৬ শাওয়াল ১৪৪৭
০৬ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ২৩ চৈত্র ১৪৩২ ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭
০৭ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ২৪ চৈত্র ১৪৩২ ১৮ শাওয়াল ১৪৪৭
০৮ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার ২৫ চৈত্র ১৪৩২ ১৯ শাওয়াল ১৪৪৭
০৯ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৬ চৈত্র ১৪৩২ ২০ শাওয়াল ১৪৪৭
১০ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ২১ শাওয়াল ১৪৪৭
১১ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ২২ শাওয়াল ১৪৪৭
১২ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার ২৯ চৈত্র ১৪৩২ ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭
১৩ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ৩০ চৈত্র ১৪৩২ ২৪ শাওয়াল ১৪৪৭
১৪ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ০১ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৫ শাওয়াল ১৪৪৭
১৫ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার ০২ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৬ শাওয়াল ১৪৪৭
১৬ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৩ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৭ শাওয়াল ১৪৪৭
১৭ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার ০৪ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৮ শাওয়াল ১৪৪৭
১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার ০৫ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৯ শাওয়াল ১৪৪৭
১৯ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার ০৬ বৈশাখ ১৪৩৩ ০১ জিলকদ ১৪৪৭
২০ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ০৭ বৈশাখ ১৪৩৩ ০২ জিলকদ ১৪৪৭
২১ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ০৮ বৈশাখ ১৪৩৩ ০৩ জিলকদ ১৪৪৭
২২ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার ০৯ বৈশাখ ১৪৩৩ ০৪ জিলকদ ১৪৪৭
২৩ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ ০৫ জিলকদ ১৪৪৭
২৪ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ ০৬ জিলকদ ১৪৪৭
২৫ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ ০৭ জিলকদ ১৪৪৭
২৬ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ ০৮ জিলকদ ১৪৪৭
২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ ০৯ জিলকদ ১৪৪৭
২৮ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ ১০ জিলকদ ১৪৪৭
২৯ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ ১১ জিলকদ ১৪৪৭
৩০ এপ্রিল ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ ১২ জিলকদ ১৪৪৭

সরকারি ছুটি

  • ১৩ এপ্রিল-চৈত্রসংক্রান্তি (শুধুমাত্র রাঙ্গামাটি,খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার জন্য)
  • ১৪ এপ্রিল - বাংলা নববর্ষ

চৈত্র সংক্রান্তি কি

”সংক্রান্তি” শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো সূর্য বা গ্রহাদির এক রাশি থেকে অন্যরাশিতে গমন সঞ্চার ব্যাপ্তি।যেমন চৈত্র সংক্রান্তি হল চৈত্র মাসের শেষ দিন।বছরের শেষ দিনকে বিদায় ও নতুন বর্ষকে বরণ করার জন্যই চৈত্র সংক্রান্তি।দিনটিকে ঘিরে থাকে নানা অনুষ্ঠান-উৎসবের আয়োজন। মনে করা হয় চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করেই পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন তাই চৈত্র সংক্রান্তি হচ্ছে বাঙালির একটি আবেগের দিন মনে করা হয়।চৈত্র সংক্রান্তিকে অনুসরণ করে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এত আয়োজন বাংলা ও বাঙালির চিরায়িত সেই চৈত্র সংক্রান্তি এসে গেছে।

চৈত্র মাসের শেষ দিনটি যেমন মাসের দিন তেমনি বছরের শেষ। সাধারণভাবে বাংলা শেষ মাসের শেষ দিনটিকে বলা হয় সংক্রান্তি এক অর্থে সংক্রান্তি ধারণাটি এমন যে কালের আবর্তে অসীমের মধ্যে সাঁতরে সূর্য এক রাশি থেকে অন্য রাশিতে (মীম রাশিতে প্রবেশ করে) গমন করে ছুটে চলে সময় দিন সপ্তাহ মাস বছর অবিরাম চলে ক্রান্তির সঞ্চারে। অর্থাৎ এক ক্রান্তি বা প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত বরা ক্রান্তিতে যায় এ দিনকে সূর্য সংক্রান্তি বলা হয়। পৌরাণিক সূত্রে জানা যায় দক্ষ রাজার সাত মেয়ের বিয়ে হয় চন্দ্র দেবের সঙ্গে।

সেই সাত জন মেয়ের একজন চিত্রা, তার নাম অনুসারে চিত্রা নক্ষত্র এবং চিত্রা নক্ষত্রের নাম থেকে চৈত্র মাসের নামকরণ করা হয়। চৈত্র মাসের শেষ দিনটিকে বাঙালিরা চৈত্র সংক্রান্তি হিসেবে পালন করেন এখনো এদেশের হিন্দু সম্প্রদায় নিজেদের মতো পালন করেন চৈত্র সংক্রান্তির দিনটি। । শাস্ত্র ও লোকাচার অনুসারে এই দিনে স্নান দান ব্রত উপবাস প্রভৃতি ক্রিয়াকর্মকে পূর্ণ জনক মনে করা হয়। চৈত্রের শেষ আর বৈশাখের শুরু বাঙালির সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ উৎসব পালিত হয় এই দুই দিনে তবে দুইয়ের মধ্যে উৎসবের তালিকায় চৈত্র সংক্রান্তির পাল্লা ভারী।


কখনো ধর্ম বিশ্বাস কখনো আবহমান বাংলার ঐতিহ্য আর লোক লুকায়িত উৎসবের ধ্বনি পাওয়া যায় এই একটি দিনকে ঘিরে। চৈত্র সংক্রান্তি সম্পর্কে জানা যায় চিত্রা নক্ষত্র হইতে চরিত্র হইল নাম বসন্ত বিদায় নিল বর্ষ শেষে দাম চড়কের উৎসব গাজনের গান সেই সঙ্গে বর্ষ হলো অবসান।

শাকান্ন কি? চৈত্র সংক্রান্তির দিনে গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে এককালে শাকান্ন পালিত হতো, এ দিন সকাল বেলাতেই বাড়ির চারপাশের জলা,জংলা ঝোপঝাড় থেকে শাক তুলে আনতো বাড়ির বউ ঝিরা। মজার ব্যাপার হল এই শাক কিন্তু আবাদি বা চাষ করা হলে হবে না হতে হবে অনাবাদী। এমন ১৪ পদের শাক দিয়েই সেদিন দুপুরের আহার হত। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে এই আহার ছাড়া বাড়িতে কোন মাছ-মাংসের পদ রান্না হতো না।আজও বাংলার কোন কোন গ্রামে ধর্ম-বর্ণ শ্রেণী নির্বিশেষে শাকান্ন উৎসব পালিত হয়।

চৈত্র সংক্রান্তির শরবত কি চৈত্র সংক্রান্তির দিনে গ্রামের বাড়িতে খাওয়া হত গমের ছাতু দই ও পাকা বেল সহযোগে এক বিশেষ শরবত। এই শরবতেই প্রাণ জুড়িয়ে নিত সংক্রান্তির উৎসবে যোগ দেওয়া সবাই। কেবল তাই নয় সংক্রান্তির দিন গ্রামের হাটে কোন কোন দোকানে বিক্রেতারা ক্রেতাদের এই শরবত দিয়ে আপ্যায়ন করতেন।

তাল তলার শিরনি কি?এ সময় চৈত্র সংক্রান্তিতে গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদা তোলা হতো। সেই টাকায় কেনা হতো চাল গুড় কোন বাড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের বদলে নেওয়া হতো দুধ। সেই চাল গুড় দুধ গায়ের সবচেয়ে উঁচু গাছের নিচে নিয়ে যাওয়া হতো।সেখানেই পাক করা হতো শিরনি।এই শিরনি খেতে গায়ের মানুষ জমায়েত হতো সে গাছের তলে। বেশিরভাগ সময়ই তালগাছ উঁচু হওয়ায় তালগাছের নিচে শিরনি রান্না হতো বলে লোকোমুখে সেই খাবারের নাম ছিল তাল তলার শিরনি।

চড়ক পূজা কি?সনাতন ধর্মাবলম্বীদের লোকজ পূজার প্রচলন ছিল। সংক্রান্তির আগের কয়েকদিন মিলে পালিত হতো চড়ক পূজা, সন্তান প্রাপ্তি দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি ও মনের বাসনা পূরণের আশায় পূজা করা হতো পূজার কয়েক দিন আগে থেকেই ব্রত এবং সংযম পালন করতেন ভক্তরা এরপর একজনকে হনুমানের মত লম্বা লেজ এবং মাথায় লাল রংয়ের ফুল দিয়ে সাজানো হতো কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করে চড়ক পূজা পালন করা হতো। 

প্রথাগতভাবে প্রথম ভাগকে বলা হয় গিরি সন্ন্যাস, দ্বিতীয় ভাগ্যে বাবুর সন্ন্যাস তৃতীয় ভাগ্যে নীল পূজা চতুর্থ ভাগ্যে হাজরা পূজা ও দেবতার ভর বলা হয় শেষভাগে চড়কের দিন সন্ন্যাসীরা বিশেষ ফল ফুল নিয়ে বাধা সহকারে নানা ভঙ্গিমায় শিব প্রণাম করে ভক্তি প্রদর্শনের জন্য ধারালো বটি,গাছের কাটার উপর ঝাপ দিয়ে মাথা নিচে রেখে ঝুলে থাকেন।এরপর বাণ-সন্ন্যাস,বেত্র  সন্ন্যাস ও বড়শি সন্ন্যাস পালন করে এই পূজা শেষ হয়।একসময় বাংলার প্রায় সব অঞ্চলে পালিত হতো চড়ক পূজা।এ উপলক্ষে বেশিরভাগ গ্রামে আজও বসে সপ্তাহব্যাপী মেলা।

চৈত্র সংক্রান্তির লোকজ নীল পূজা, নীল উৎসব কি? চড়ক পূজার আগের দিনই পালিত হতো নীল পূজা। আরে এ অনুসারে এবছরের নীল পূজা হবে আগামী ১৩ এপ্রিল সোমবার। এটি ছিল চড়ক পূজার অন্যতম অনুষঙ্গ যদিও কালের বিবর্তনে পুরো চরক পূজার বদলে একাংশ নীল পূজায় পালিত হয়। নীল পূজার জন্য সন্ন্যাসীরা ও শিব দুর্গার সঙ্গেরা পূজার সময়ে নীলকে সুসজ্জিত করে গীতিবাদ্য সহযোগে বাড়ি বাড়ি ঘুরান এবং ভিক্ষা সংগ্রহ করেন।নীলের গান কে বলা হয় অষ্টক গান। 

ঐদিন সন্ধ্যাবেলায় সন্তানবতী হিন্দু রমনীরা সন্তানের কল্যাণার্থে প্রদীপ জ্বালিয়ে শিব পূজা করে সারাদিনের উপবাস ভঙ্গ করেন।নীল পূজার সঙ্গে জড়িয়ে আছে নীল নাচ এবং শিবের গাজন। শিবের গাজন ও গম্ভীরা পূজা কি কেবল চৈত্র সংক্রান্তিতেই শিবের গাজন পালিত হয় শিবের গাজনের মধ্য দিয়েই শেষ হয় চড়ক পূজা। চৈত্র সংক্রান্তি ছাড়া বছরের অন্য সময় পালিত হওয়া শিবের গাজনকে বলা হয় হুজুগে গাজন চৈত্র সংক্রান্তির দিনে বরেন্দ্র অঞ্চলে পালিত হয় গম্ভীরা পূজা।

খেজুর ভাঙ্গা উৎসব কি চৈত্র সংক্রান্তির দিনে পালিত হয় খেজুর ভাঙ্গা উৎসব।এই উৎসবে সন্ন্যাসীরা মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিব গৌরী নিত্য গীতি সহকারে মাগন করেন। পূজার লগ্নে সারাদিন উপবাস পালন করে ভক্তরা।চৈত্র সংক্রান্তির দিনে নারীরা একটি নির্দিষ্ট খেজুর গাছের গোড়ায় দুধ এবং ডাবের জল ঢেলে পূজা করেন। পূজা শেষে সন্ন্যাসী দলনেতা গামছা গায়ে জড়িয়ে খেজুর গাছকে প্রণাম করে খালি গায়ে গাছে ওঠেন। এরপর সন্ন্যাসী দলের বাকিরা কাটাযুক্ত খেজুর পাতার উপর দাঁড়িয়ে নাচে। গাছে ওঠা সন্ন্যাসী দলনেতা খেজুর গাছ থেকে খেজুর ভেঙ্গে ভক্তদের মাঝে বিলাতে থাকেন সেই খেজুর খেয়ে উপোস ভঙ্গ করেন ভক্তরা।
ক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরি

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বৈশাবি উৎসব কি? চৈত্র সংক্রান্তির দিনে বাঙালি ছাড়াও উদযাপন করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরাও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের প্রধান উৎসব বৈশাবি পালিত হয়। চৈত্র সংক্রান্তি ও নববর্ষের দিনে।বৈসাবির বৈ এসেছে ত্রিপুরাদের ’বৈসু, থেকে, সা এসেছে মারমাদের সাংগ্রাই থেকে এবং বি শব্দটি চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের বিজু থেকে। বিজু উৎসব চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যাদের প্রধান উৎসব বিজু পালিত হয় চৈত্র সংক্রান্তির দিনে চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পালিত হয় ফুলবিজু। চৈত্র সংক্রান্তির দিন পালন করা হয় মূলবিজু।চৈত্র সংক্রান্তি বা মূলবিজুর দিনে চাকমাদের ঘরে ঘরে বিভিন্ন সবজির সংমিশ্রণে তৈরি হয় সুস্বাদু পাজন। 

এদিন বাড়ি বাড়ি আত্মীয়স্বজনেরা বেড়াতে আসে চাকমা ও তঞ্চা সম্প্রদায়ের ধারণা বছরের সর্বশেষ দিনে ভালো খাবার খাওয়া পণ্যের কাজ। বৈশ্য উৎসব চৈত্র সংক্রান্তির শেষ দুদিন ও নববর্ষের প্রথম দিন ত্রিপুরা সম্প্রদায় পালন করে তাদের প্রধান উৎসব বৈসু। চৈত্র মাসের সর্বশেষ দু দিনকে ত্রিপুরার যথাক্রমে হারুই হারি বৈসু ও বিসুমা হাড়ই বসুর দিনে পাহাড় থেকে ফুল এনে ঘর সাজাই তারা।আর বিসুমা বা সংক্রান্তির দিন পালন করে খাবার উৎসব।

মে ২০২৬

( ইংরেজি-মে ২০২৬,বাংলা-বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩,আরবি-জিলকদ-জিলহজ্জ ১৪৪৭ হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ মে ২০২৬ শুক্রবার ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ ১৩ জিলকদ ১৪৪৭
০২ মে ২০২৬ শনিবার ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ ১৪ জিলকদ ১৪৪৭
০৩ মে ২০২৬ রবিবার ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ ১৫ জিলকদ ১৪৪৭
০৪ মে ২০২৬ সোমবার ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ ১৬ জিলকদ ১৪৪৭
০৫ মে ২০২৬ মঙ্গলবার ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ ১৭ জিলকদ ১৪৪৭
০৬ মে ২০২৬ বুধবার ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ ১৮ জিলকদ ১৪৪৭
০৭ মে ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ ১৯ জিলকদ ১৪৪৭
০৮ মে ২০২৬ শুক্রবার ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ ২০ জিলকদ ১৪৪৭
০৯ মে ২০২৬ শনিবার ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ ২১ জিলকদ ১৪৪৭
১০ মে ২০২৬ রবিবার ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ ২২ জিলকদ ১৪৪৭
১১ মে ২০২৬ সোমবার ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৩ জিলকদ ১৪৪৭
১২ মে ২০২৬ মঙ্গলবার ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৪ জিলকদ ১৪৪৭
১৩ মে ২০২৬ বুধবার ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৫ জিলকদ ১৪৪৭
১৪ মে ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ ২৬ জিলকদ ১৪৪৭
১৫ মে ২০২৬ শুক্রবার ০১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৭ জিলকদ ১৪৪৭
১৬ মে ২০২৬ শনিবার ০২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৮ জিলকদ ১৪৪৭
১৭ মে ২০২৬ রবিবার ০৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৯ জিলকদ ১৪৪৭
১৮ মে ২০২৬ সোমবার ০৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ৩০ জিলকদ ১৪৪৭
১৯ মে ২০২৬ মঙ্গলবার ০৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০১ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২০ মে ২০২৬ বুধবার ০৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০২ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২১ মে ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০৩ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২২ মে ২০২৬ শুক্রবার ০৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০৪ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২৩ মে ২০২৬ শনিবার ০৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০৫ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২৪ মে ২০২৬ রবিবার ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০৬ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২৫ মে ২০২৬ সোমবার ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০৭ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২৬ মে ২০২৬ মঙ্গলবার ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০৮ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২৭ মে ২০২৬ বুধবার ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ০৯ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২৮ মে ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১০ জিলহজ্জ ১৪৪৭
২৯ মে ২০২৬ শুক্রবার ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১১ জিলহজ্জ ১৪৪৭
৩০ মে ২০২৬ শনিবার ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১২ জিলহজ্জ ১৪৪৭
৩১ মে ২০২৬ রবিবার ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১৩ জিলহজ্জ ১৪৪৭

সরকারি ছুটি

  • ০১  মে - মে দিবস ও বৌদ্ধ পূর্ণিমা
  • ২৬  মে - ঈদ-উল-আযহার ২ দিন আগের দিন
  • ২৭ মে - ঈদ-উল আযহার আগের দিন
  • ২৮ মে- ঈদ-উল আযহা
  • ২৯ মে- ঈদ-উল আযহার পরের দিন
  • ৩০ মে- ঈদ- উল আযহার দ্বিতীয় দিন
  • ৩১ মে- ঈদ-উল আযহার তৃতীয় দিন

জুন ২০২৬

( ইংরেজি-জুন ২০২৬,বাংলা -জ্যৈষ্ঠ -আষাঢ় ১৪৩৩,আরবি-জিলহজ্জ ১৪৪৭-মহররম ১৪৪৮ হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বার বংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ জুন ২০২৬ সোমবার ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১৪ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০২ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১৫ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০৩ জুন ২০২৬ বুধবার ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১৬ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০৪ জুন ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১৭ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০৫ জুন ২০২৬ শুক্রবার ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১৮ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০৬ জুন ২০২৬ শনিবার ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ১৯ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০৭ জুন ২০২৬ রবিবার ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২০ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০৮ জুন ২০২৬ সোমবার ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২১ জিলহজ্জ ১৪৪৭
০৯ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২২ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১০ জুন ২০২৬ বুধবার ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৩ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১১ জুন ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৪ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১২ জুন ২০২৬ শুক্রবার ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৫ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১৩ জুন ২০২৬ শনিবার ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৬ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১৪ জুন ২০২৬ রবিবার ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ২৭ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১৫ জুন ২০২৬ সোমবার ০১ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৮ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১৬ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার ০২ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৯ জিলহজ্জ ১৪৪৭
১৭ জুন ২০২৬ বুধবার ০৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ০১ মহররম ১৪৪৮
১৮ জুন ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ০২ মহররম ১৪৪৮
১৯ জুন ২০২৬ শুক্রবার ০৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৩ মহররম ১৪৪৮
২০ জুন ২০২৬ শনিবার ০৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৪ মহররম ১৪৪৮
২১ জুন ২০২৬ রবিবার ০৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৫ মহররম ১৪৪৮
২২ জুন ২০২৬ সোমবার ০৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৬ মহররম ১৪৪৮
২৩ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার ০৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৭ মহররম ১৪৪৮
২৪ জুন ২০২৬ বুধবার ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৮ মহররম ১৪৪৮
২৫ জুন ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ০৯ মহররম ১৪৪৮
২৬ জুন ২০২৬ শুক্রবার ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ ১০ মহররম ১৪৪৮
২৭ জুন ২০২৬ শনিবার ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ১১ মহররম ১৪৪৮
২৮ জুন ২০২৬ রবিবার ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ১২ মহররম ১৪৪৮
২৯ জুন ২০২৬ সোমবার ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ১৩ মহররম ১৪৪৮
৩০ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
১৪ মহররম ১৪৪৮


সরকারি ছুটি

  • ২৬ জুন- অশুরার দিন

আশুরার দিন কি বা ১০ই মহররমের ঘটনাবলী

আমরা মনে করি ১০ই মহরম মানেই কারবালা কিন্তু দশ মহররম মানে কারবালা এটা সঠিক নয়।১০ই মহররমের অনেকগুলো বর্ণনা আছে তবে দশটি বিষয়ের কারণে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মহররম মাসের এই আশুরা ১০ দিবসকে আল্লাহর রাব্বুল আলামীন শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।দশটি কারণে যে ইতিহাস ইসলামকে জিন্দা করেছেন সব কারবালার পরে ইসলাম জিন্দা হয়। ঐ কারবালার রক্ত,শহীদের রক্ত আহলে বায়াতের রক্তের কারণে আল্লাহ ইসলামকে জিন্দা করেছেন।নবী কারম(সাঃ) এই মাসে অনেক বেশি রোজা রাখতেন,সাহাবায়ে একরাম এই মাসে এবাদত বন্দেগী এর মধ্য দিয়ে কাটাতেন।এমন একটি বরকতপূর্ণ মাস ছায়া দান করেছেনমহররম মাসে। মহররম মাস ইসলাম ধর্মের নতুন বছরের প্রথম মাস যা নববর্ষ হিসাবে আল্লাহতালা রব্বুল আলামীন আমাদেরকে দিয়েছেন।মহান রাব্বুল আলামি মহররম মাসের ১০ তারিখ বা আশুরার দিনটি কি কি কারণে আমাদের জন্য শ্রেষ্ঠত্ব।
  • দুনিয়ার সৃষ্টি করা হয় এই দিনে
  • আকাশ হতে বৃষ্টি হয় এই দিনে
  • আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয় এই দিনে
  • নিষিদ্ধ ফল খাওয়ার অপরাধে বেহেশতে হতে এই দিনে আদম (আঃ) কে বের করে দুনিয়াতে নেওয়া হয়।
  • আদম (আঃ) এর দোয়া কবুল করা হয় এই দিনে।
  • নূহ (আঃ) কে তুফান হতে মুক্তি দেওয়া হয় এই দিনে।
  • সোলায়মান (আঃ) বাদশাহী দান করা হয়।
  • আইয়ুব (আঃ) রোগ হতে মুক্তি পান ।
  • ইব্রাহিম (আঃ) আগুন হতে নাজাত পান।
  • মুসা (আঃ) আল্লাহর সাথে কথা বলেন তুর পাহাড়ে।
  • ফেরাউন জলে ডুবে মরে এই দিনে।
  • ঈসা (আঃ) কে আসমানে উঠিয়ে নিন আল্লাহপাক এই দিনে।
  • ইমাম হোসেন (রাঃ) কারবালার প্রান্তরে এজিদ কর্তিক শহীদ হন এই দিনে।
এসব মিলিয়ে মোট ৩১৩ টি বড় বড় ঘটনা সৃষ্ট হয় এই দিনে হয়।

জুলাই ২০২৬

( ইংরেজি-জুলাই ২০২৬,বাংলা -আষাঢ়-শ্রাবন ১৪৩৩,আরবি-মহররম-সফর ১৪৪৮ হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ জুলাই ২০২৬ বুধবার ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ১৫ মহররম ১৪৪৮
০২ জুলাই ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ১৬ মহররম ১৪৪৮
০৩ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ১৭ মহররম ১৪৪৮
০৪ জুলাই ২০২৬ শনিবার ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ ১৮ মহররম ১৪৪৮
০৫ জুলাই ২০২৬ রবিবার ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ ১৯ মহররম ১৪৪৮
০৬ জুলাই ২০২৬ সোমবার ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ ২০ মহররম ১৪৪৮
০৭ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ২১ মহররম ১৪৪৮
০৮ জুলাই ২০২৬ বুধবার ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ২২ মহররম ১৪৪৮
০৯ জুলাই ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৩ মহররম ১৪৪৮
১০ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৪ মহররম ১৪৪৮
১১ জুলাই ২০২৬ শনিবার ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৫ মহররম ১৪৪৮
১২ জুলাই ২০২৬ রবিবার ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৬ মহররম ১৪৪৮
১৩ জুলাই ২০২৬ সোমবার ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৭ মহররম ১৪৪৮
১৪ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৮ মহররম ১৪৪৮
১৫ জুলাই ২০২৬ বুধবার ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ ২৯ মহররম ১৪৪৮
১৬ জুলাই ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০১ শ্রাবন ১৪৩৩ ০১ সফর ১৪৪৮
১৭ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার ০২ শ্রাবন ১৪৩৩ ০২ সফর ১৪৪৮
১৮ জুলাই ২০২৬ শনিবার ০৩ শ্রাবন ১৪৩৩ ০৩ সফর ১৪৪৮
১৯ জুলাই ২০২৬ রবিবার ০৪ শ্রাবন ১৪৩৩ ০৪ সফর ১৪৪৮
২০ জুলাই ২০২৬ সোমবার ০৫ শ্রাবন ১৪৩৩ ০৫ সফর ১৪৪৮
২১ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার ০৬ শ্রাবন ১৪৩৩ ০৬ সফর ১৪৪৮
২২ জুলাই ২০২৬ বুধবার ০৭ শ্রাবন ১৪৩৩ ০৭ সফর ১৪৪৮
২৩ জুলাই ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৮ শ্রাবন ১৪৩৩ ০৮ সফর ১৪৪৮
২৪ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার ০৯ শ্রাবন ১৪৩৩ ০৯ সফর ১৪৪৮
২৫ জুলাই ২০২৬ শনিবার ১০ শ্রাবন ১৪৩৩ ১০ সফর ১৪৪৮
২৬ জুলাই ২০২৬ রবিবার ১১ শ্রাবন ১৪৩৩ ১১ সফর ১৪৪৮
২৭ জুলাই ২০২৬ সোমবার ১২ শ্রাবন ১৪৩৩ ১২ সফর ১৪৪৮
২৮ জুলাই ২০২৬ মঙ্গলবার ১৩ শ্রাবন ১৪৩৩ ১৩ সফর ১৪৪৮
২৯ জুলাই ২০২৬ বুধবার ১৪ শ্রাবন ১৪৩৩ ১৪ সফর ১৪৪৮
৩০ জুলাই ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৫ শ্রাবন ১৪৩৩ ১৫ সফর ১৪৪৮
৩১ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার ১৬ শ্রাবন ১৪৩৩ ১৬ সফর ১৪৪৮


সরকারী ছুটি

  • জুলাই মাসে কোন সরকারি ছুটি নাই

আগষ্ট ২০২৬

( ইংরেজি-আগষ্ট ২০২৬,বাংলা -শ্রাবন-ভাদ্র ১৪৩৩,আরবি-শফর-রবিঃআউঃ ১৪৪৮ হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বার বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ আগষ্ট ২০২৬ শনিবার ১৭ শ্রাবন ১৪৩৩ ১৭ শফর ১৪৪৮
০২ আগষ্ট ২০২৬ রবিবার ১৮ শ্রাবন ১৪৩৩ ১৮ শফর ১৪৪৮
০৩ আগষ্ট ২০২৬ সোমবার ১৯ শ্রাবন ১৪৩৩ ১৯ শফর ১৪৪৮
০৪ আগষ্ট ২০২৬ মঙ্গলবার ২০ শ্রাবন ১৪৩৩ ২০ শফর ১৪৪৮
০৫ আগষ্ট ২০২৬ বুধবার ২১ শ্রাবন ১৪৩৩ ২১ শফর ১৪৪৮
০৬ আগষ্ট ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২২ শ্রাবন ১৪৩৩ ২২ শফর ১৪৪৮
০৭ আগষ্ট ২০২৬ শুক্রবার ২৩ শ্রাবন ১৪৩৩ ২৩ শফর ১৪৪৮
০৮ আগষ্ট ২০২৬ শনিবার ২৪ শ্রাবন ১৪৩৩ ২৪ শফর ১৪৪৮
০৯ আগষ্ট ২০২৬ রবিবার ২৫ শ্রাবন ১৪৩৩ ২৫ শফর ১৪৪৮
১০ আগষ্ট ২০২৬ সোমবার ২৬ শ্রাবন ১৪৩৩ ২৬ শফর ১৪৪৮
১১ আগষ্ট ২০২৬ মঙ্গলবার ২৭ শ্রাবন ১৪৩৩ ২৭ শফর ১৪৪৮
১২ আগষ্ট ২০২৬ বুধবার ২৮ শ্রাবন ১৪৩৩ ২৮ শফর ১৪৪৮
১৩ আগষ্ট ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৯ শ্রাবন ১৪৩৩ ২৯ শফর ১৪৪৮
১৪ আগষ্ট ২০২৬ শুক্রবার ৩০ শ্রাবন ১৪৩৩ ৩০ শফর ১৪৪৮
১৫ আগষ্ট ২০২৬ শনিবার ৩১ শ্রাবন ১৪৩৩ ০১ রবিউল আওয়াল
১৬ আগষ্ট ২০২৬ রবিবার ০১ ভাদ্র ১৪৩৩ ০২ রবিউল আওয়াল
১৭ আগষ্ট ২০২৬ সোমবার ০২ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৩ রবিউল আওয়াল
১৮ আগষ্ট ২০২৬ মঙ্গলবার ০৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৪ রবিউল আওয়াল
১৯ আগষ্ট ২০২৬ বুধবার ০৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৫ রবিউল আওয়াল
২০ আগষ্ট ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৬ রবিউল আওয়াল
২১ আগষ্ট ২০২৬ শুক্রবার ০৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৭ রবিউল আওয়াল
২২ আগষ্ট ২০২৬ শনিবার ০৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৮ রবিউল আওয়াল
২৩ আগষ্ট ২০২৬ রবিবার ০৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৯ রবিউল আওয়াল
২৪ আগষ্ট ২০২৬ সোমবার ০৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ১০ রবিউল আওয়াল
২৫ আগষ্ট ২০২৬ মঙ্গলবার ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ ১১ রবিউল আওয়াল
২৬ আগষ্ট ২০২৬ বুধবার ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ ১২ রবিউল আওয়াল
২৭ আগষ্ট ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ ১৩ রবিউল আওয়াল
২৮ আগষ্ট ২০২৬ শুক্রবার ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ১৪ রবিউল আওয়াল
২৯ আগষ্ট ২০২৬ শনিবার ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ১৫ রবিউল আওয়াল
৩০ আগষ্ট ২০২৬ রবিবার ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ১৬ রবিউল আওয়াল
৩১ আগষ্ট ২০২৬ সোমবার ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ১৭ রবিউল আওয়াল

সরকারি ছুটি

  • ৫ আগষ্ট ২০২৬-জুলাই গণ-অভ্যুথান দিবস।
  • ২৬ আগষ্ট ২০২৬- ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ)

সেপ্টেম্বর ২০২৬ 

 ( ইংরেজি- সেপ্টেম্বর ২০২৬,বাংলা -ভাদ্র-আশিন ১৪৩৩, অরবি-রবিঃআউঃ-রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ১৮ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ১৯ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ২০ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ ২১ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ ২২ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৩ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৪ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৫ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৬ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৭ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৮ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ ২৯ রবিউল আওয়াল১৪৪৮
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ ০১ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ ০২ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ ০৩ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার ০১ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৪ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০২ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৫ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৬ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৭ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রবিবার ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৮ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৯ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ০৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ১০ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ১১ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ১২ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শক্রবার ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৩ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শনিবার ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৪ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ রাববার ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৫ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সোমবার ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৬ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৭ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ বুধবার ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৮ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮

সরকারি ছুটি

  • ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬- জন্মাষ্টমী

অক্টোবর ২০২৬

 ( ইংরেজি- অক্টোবর ২০২৬,বাংলা -আশ্বিন-কার্তিক১৪৩৩,অরবিরবিঃসানিঃজমাঃআউঃ-১৪৪৮হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ১৯ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০২ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ২০ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০৩ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ২১ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০৪ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ২২ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০৫ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৩ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০৬ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৪ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০৭ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৫ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০৮ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৬ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
০৯ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৭ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১০ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৮ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১১ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ২৯ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১২ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ৩০ রবিঃ সানিঃ ১৪৪৮
১৩ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ০১ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
১৪ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ০২ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
১৫ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৩ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
১৬ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ০৪ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
১৭ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার ০১ কার্তিক ১৪৩৩ ০৫ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
১৮ অক্টোবর ২০২৬ রবিবার ০২ কার্তিক ১৪৩৩ ০৬ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
১৯ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার ০৩ কার্তিক ১৪৩৩ ০৭ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২০ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গরবার ০৪ কার্তিক ১৪৩৩ ০৮ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২১ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার ০৫ কার্তিক ১৪৩৩ ০৯ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২২ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৬ কার্তিক ১৪৩৩ ১০ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২৩ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার ০৭ কার্তিক ১৪৩৩ ১১ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২৪ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার ০৮ কার্তিক ১৪৩৩ ১২ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২৫অক্টোবর ২০২৬ রবিবার ০৯ কার্তিক ১৪৩৩ ১৩ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২৬ অক্টোবর ২০২৬ সোমবার ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ১৪ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২৭ অক্টোবর ২০২৬ মঙ্গলবার ১১ কার্তিক ১৪৩৩ ১৫ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২৮ অক্টোবর ২০২৬ বুধবার ১২ কার্তিক ১৪৩৩ ১৬ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
২৯ অক্টোবর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ ১৭ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
৩০ অক্টোবর ২০২৬ শুক্রবার ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ ১৮ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮
৩১ অক্টোবর ২০২৬ শনিবার ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ ১৯ জমাঃ আউঃ ১৪৪৮

সরকারি ছুটি

  • ২০ অক্টোবর- দূর্গাপুজা (নবমী)
  • ২১ অক্টোবর - দূর্গাপুজা (বিজয়া দশমী)

নভেম্বর ২০২৬

( ইংরেজি- নভেম্বর ২০২৬,বাংলা -কার্তিক-অগ্রায়ণ ১৪৩৩,অরবিজমাঃআউঃজমাঃসানি-১৪৪৮হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তারিখ
০১ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ ২০ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০২ নভেম্বর ২০২৬ সোমবার ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ ২১ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০৩ নভেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ ২২ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০৪ নভেম্বর ২০২৬ বুধবার ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ২৩ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০৫ নভেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২০ কার্তিক ১৪৩৩ ২৪ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০৬ নভেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ২১ কার্তিক ১৪৩৩ ২৫ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০৭ নভেম্বর ২০২৬ শনিবার ২২ কার্তিক ১৪৩৩ ২৬ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০৮ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ ২৭ জমাঃআউঃ১৪৪৮
০৯ নভেম্বর ২০২৬ সোমবার ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ ২৮ জমাঃআউঃ১৪৪৮
১০ নভেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ২৫ কার্তিক ১৪৩৩ ২৯ জমাঃআউঃ১৪৪৮
১১ নভেম্বর ২০২৬ বুধবার ২৬ কার্তিক ১৪৩৩ ৩০ জমাঃআউঃ১৪৪৮
১২ নভেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৭ কার্তিক ১৪৩৩ ০১ জমাঃসানি ১৪৪৮
১৩ নভেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ২৮ কার্তিক ১৪৩৩ ০২ জমাঃসানি ১৪৪৮
১৪ নভেম্বর ২০২৬ শনিবার ২৯ কার্তিক ১৪৩৩ ০৩ জমাঃসানি ১৪৪৮
১৫ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার ৩০ কার্তিক ১৪৩৩ ০৪ জমাঃসানি ১৪৪৮
১৬ নভেম্বর ২০২৬ সোমবার ০১ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৫ জমাঃসানি ১৪৪৮
১৭ নভেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ০২ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৬ জমাঃসানি ১৪৪৮
১৮ নভেম্বর ২০২৬ বুধবার ০৩ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৭ জমাঃসানি ১৪৪৮
১৯ নভেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৪ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৮ জমাঃসানি ১৪৪৮
২০ নভেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ০৫ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৯ জমাঃসানি ১৪৪৮
২১ নভেম্বর ২০২৬ শনিবার ০৬ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১০ জমাঃসানি ১৪৪৮
২২ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার ০৭ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১১ জমাঃসানি ১৪৪৮
২৩ নভেম্বর ২০২৬ সোমবার ০৮ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১২ জমাঃসানি ১৪৪৮
২৪ নভেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ০৯ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১৩ জমাঃসানি ১৪৪৮
২৫ নভেম্বর ২০২৬ বুধবার ১০ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১৪ জমাঃসানি ১৪৪৮
২৬ নভেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১১ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১৫ জমাঃসানি ১৪৪৮
২৭ নভেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ১২ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১৬ জমাঃসানি ১৪৪৮
২৮ নভেম্বর ২০২৬ শনিবার ১৩ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১৭ জমাঃসানি ১৪৪৮
২৯ নভেম্বর ২০২৬ রবিবার ১৪ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১৮ জমাঃসানি ১৪৪৮
৩০ নভেম্বর ২০২৬ সোমবার ১৫ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ১৯ জমাঃসানি ১৪৪৮

সরকারি ছুটি

  • নভেম্বর মাসে কোন সরকারি ছুটি নাই।

ডিসেম্বর ২০২৬

( ইংরেজি- ডিসেম্বর ২০২৬,বাংলা-অগ্রায়ণ-পৌষ-১৪৩৩,অরবি-জমাঃসানি-রজব-১৪৪৮হিজরি।)

ইংরেজি তারিখ বারের নাম বাংলা তারিখ আরবি তালিখ
০১ ডিসেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ১৬ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২০ জমাঃসানি ১৪৪৮
০২ ডিসেম্বর ২০২৬ বুধবার ১৭ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২১ জমাঃসানি ১৪৪৮
০৩ ডিসেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৮ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২২ জমাঃসানি ১৪৪৮
০৪ ডিসেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ১৯ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২৩ জমাঃসানি ১৪৪৮
০৫ ডিসেম্বর ২০২৬ শনিবার ২০ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২৪ জমাঃসানি ১৪৪৮
০৬ ডিসেম্বর ২০২৬ রবিবার ২১ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২৫ জমাঃসানি ১৪৪৮
০৭ ডিসেম্বর ২০২৬ সোমবার ২২ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২৬ জমাঃসানি ১৪৪৮
০৮ ডিসেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ২৩ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২৭ জমাঃসানি ১৪৪৮
০৯ ডিসেম্বর ২০২৬ বুধবার ২৪ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২৮ জমাঃসানি ১৪৪৮
১০ ডিসেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ২৫ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ২৯ জমাঃসানি ১৪৪৮
১১ ডিসেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ২৬ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০১ রজব ১৪৪৮
১২ ডিসেম্বর ২০২৬ শনিবার ২৭ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০২ রজব ১৪৪৮
১৩ ডিসেম্বর ২০২৬ রবিবার ২৮ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৩ রজব ১৪৪৮
১৪ ডিসেম্বর ২০২৬ সোমবার ২৯ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৪ রজব ১৪৪৮
১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ৩০ অগ্রায়ণ ১৪৩৩ ০৫ রজব ১৪৪৮
১৬ ডিসেম্বর ২০২৬ বুধবার ০১ পৌষ ১৪৩৩ ০৬ রজব ১৪৪৮
১৭ ডিসেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০২ পৌষ ১৪৩৩ ০৭ রজব ১৪৪৮
১৮ ডিসেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ০৩ পৌষ ১৪৩৩ ০৮ রজব ১৪৪৮
১৯ ডিসেম্বর ২০২৬ শনিবার ০৪ পৌষ ১৪৩৩ ০৯ রজব ১৪৪৮
২০ ডিসেম্বর ২০২৬ রবিবার ০৫ পৌষ ১৪৩৩ ১০ রজব ১৪৪৮
২১ ডিসেম্বর ২০২৬ সোমবার ০৬ পৌষ ১৪৩৩ ১১ রজব ১৪৪৮
২২ ডিসেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ০৭ পৌষ ১৪৩৩ ১২ রজব ১৪৪৮
২৩ ডিসেম্বর ২০২৬ বুধবার ০৮ পৌষ ১৪৩৩ ১৩ রজব ১৪৪৮
২৪ ডিসেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ০৯ পৌষ ১৪৩৩ ১৪ রজব ১৪৪৮
২৫ ডিসেম্বর ২০২৬ শুক্রবার ১০ পৌষ ১৪৩৩ ১৫ রজব ১৪৪৮
২৬ ডিসেম্বর ২০২৬ শনিবার ১১ পৌষ ১৪৩৩ ১৬ রজব ১৪৪৮
২৭ ডিসেম্বর ২০২৬ রবিবার ১২ পৌষ ১৪৩৩ ১৭ রজব ১৪৪৮
২৮ ডিসেম্বর ২০২৬ সোমবার ১৩ পৌষ ১৪৩৩ ১৮ রজব ১৪৪৮
২৯ ডিসেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার ১৪ পৌষ ১৪৩৩ ১৯ রজব ১৪৪৮
৩০ ডিসেম্বর ২০২৬ বুধবার ১৫ পৌষ ১৪৩৩ ২০ রজব ১৪৪৮
৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ বৃহস্প্রতিবার ১৬ পৌষ ১৪৩৩ ২১ রজব ১৪৪৮

সরকারি ছুটি

  • ১৬ ডিসেম্বর ২০২৬-বিজয় দিবস
  • ২৫ ডিসেম্বর ২০২৬- যিশু খ্রিষ্টের জন্মদিন (বড় দিন)

শেষ কথা

ক্যালেন্ডার-ইংরেজি ২০২৬,বাংলা ১৪৩৩ আরবি ১৪৪৭ হিজরিে এর বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে প্রস্তুর যুগ থেকে শুরু করে বর্তমানে ব্যবহৃত ক্যালেন্ডারের আবিস্কারের বিস্তারিত তথ্য আলোচনা করেছি।আলোচনা করেছি ২০২৬ সালের ইংরেজি,বাংলা ও আরবি ক্যালেন্ডারে বিভিন্ন উৎসব,সরকারি ছুটি,বিভিন্ন দিবস সম্পর্কে।আপনার যদি ২০২৬ সালের ধর্মীয় উৎসব,জতিীয দিবস,সরকারি ছুটি ইত্যাদি সম্পর্কে না জানা থাকে থাহলে অবশ্যই আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ে নিবেন। আশা করছি ক্যালেন্ডার সম্পর্কে আদিকাল থেকে শুরু করে ২০২৬ সাল পর্যন্ত যে সকল তথ্য রয়েছে সেগুলো আপনি জানতে পারবেন এবং আপনার দৈনন্দিন জীবনে কাজে লাগবে ইনশাল্লাহ।

এতক্ষণ আমার সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।এই ধরনের গুরুত্বপূর্ন বিষয় ও তথ্যমুলক আর্টিকেল নিয়মিত পড়তে চাইলে আমার ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে।কারণ আমি নিয়মিত গুরুত্বপূর্ন আর্টিকেল প্রকাশ করে থাকি।শেষে একটাই অনুরোধ রইলো যদি পারেন আপনার পরিচিতদের আমার এই পোষ্টটি সকলের কাছে শেয়ার করবেন প্লিজ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

থ্রিক্যাটভিলাতে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Sirajul islam
Md. Sirajul islam
একজন থ্রিক্যাটভিলার এডমিন । তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।