মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে
মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে মালয়েশিয়া ভিসা খুলার
দ্বারপ্রান্তে।দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পরে ইতিমধ্যে একটি ভালো খবর এসেছে মালয়েশিয়া
সরকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছে যে ২০২৫ সালের কলিং ভিসা প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং
বাংলাদেশ সহ ভারত নেপাল পাকিস্তান মায়ানমারের এজেন্সি গুলোকে তারা কিছু
শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দিচ্ছে। সর্বশেষ আপডেট অনুসারে ২০২৫ সালের আগষ্ট মাস থেকে
আবেদন খোলা হয়েছে এবং মোট ২৪ কোটি ৬৮ লক্ষ বিদেশী কর্মীর জন্য কোটা রাখা হয়েছে
এর মধ্যে বাংলাদেশের জন্য বড় অংশ কৃষি বাগান নির্মাণ উৎপাদন সার্ভিস সেক্টরসহ
১৩টা খাতে শ্রমিক নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছেন মালয়েশিয়া সরকার। আবেদনের শেষ তারিখ ৩১
ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে রিক্রটিং এজেন্সিগুলিকে সময়সীমা দিয়েছে এবং আগামী
জানুয়ারী ২০২৬ থেকে ফ্লাইট শুরু হবে ইনশাল্লাহ্। তবে এবার বেতন বৃদ্ধিসহ শ্রমিক
যাতে প্রতারনার স্বিকার না হয় সেই আলোকে নীতিমালা পরিবর্তন করেছেন।আসুন জেনে
নেওয়া যাক।
পেজ সূচীপত্র ঃমালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে - মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২৫ এর
আপডেট
মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২৫ এর আপডেট
মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে এবং মালয়েশিয়া কলিং ভিসায় এখন চলছে গুজব ভয় আর
বিভ্রান্তি কেউ বলছে মেডিকেল শুরু হয়ে গেছে আবার কেউ বলছে আগামী সপ্তাহেই আসছে
ভিসা অনেকে এখন সত্যিই হতাশ ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। কেউ জানেনা সামনে কি
করবেন,কার কথা বিশ্বাস করবেন। মালেশিয়ার সরকার এবার পুরো সিস্টেমটাই পরিবর্তন
করে ফেলেছে এবার তারা চাইছে সচ্ছতা,নিয়ন্ত্রন আরেকটি ডিজিটাল প্রক্রিয়া যেখানে
প্রতারণার সুযোগ থাকবে না। এই গুরুত্বপূর্ন আলোচনায় আপনারা যে সমস্ত তথ্য স্পষ্ট
ভাবে জানতে পারবেন প্রথমে সেগুলোর একটা স্পষ্ট ধারণা দিচ্ছি। মালেশিয়ার কলিং
ভিসার সর্বশেষ আপডেট বর্তমানে মালয়েশিয়া যেতে কত টাকা খরচ হবে কিভাবে গেলে আপনি
প্রতারিত হবেন না এবং বিশেষ করে এমন কিছু কাজ আছে যেগুলো আপনি মালয়েশিয়া করতে
পারলে মাসের লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন ওভারটাইম ছাড়াই।
মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে।মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২৫ এর আপডেট কি তার সাথে
মেডিকেল কবে শুরু হবে মেডিকেলে কি কি টেস্ট দিতে হবে এক কথায় এ টু জেড সব তথ্য
পাবেন এই আলোচনা থেকে। আপনি যদি সত্যিই মালেশিয়া যেতে আগ্রহী হয়ে থাকেন আশা
করছি আপনি শেষ পর্যন্ত এই কন্টেন্ট টা পড়বেন। দেখবেন কন্টিটেন্ট টি শেষ করে আপনি
নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন আপনার মালয়েশিয়া যাওয়া এই সময় ঠিক হবে কিনা।আশা
করছি সম্পুর্ন কন্টেন্টটি পড়বেন। প্রথেমেই বলে রাখি মালেয়শিয়া কেন এত
গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটা শুধু একটা কাজের জায়গা
নয় বরং একটি বিশাল সম্ভানার দরজা। এখানে ইতিমধ্যে প্রায় ৮ লক্ষ বাংলাদেশী কর্মী
কাজ করছেন নির্মাণ থেকে ফ্যাক্টরি কৃষি থেকে সার্ভিস সেক্টরে কাজ করছেন।
প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা রেমিটেন্স আসে আমাদের দেশে এই শ্রমবাজার
থেকে যা পরিবার গুলোর জীবন বদলিয়ে দেয় কিন্ত কোভিট এর পর থেকে শ্রম বাজার বন্ধ
হয়ে যাওয়ায় সবাই অন্ধকারে আটকিয়ে পড়েছেন। গুজব চলছে কেউ বলছে ভিসা খুলে গেছে,কেউ
বলছে মেডিক্যাল শুরু কিন্ত সত্যি কথা হলো মালেযশিয়া সরকার অফিসিয়াল ঘোষণা না
দিলে কিছুই শুরু হয় না আজকের এই আলোচনায় আমরা মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে এবং
সেই অফিশিয়াল তথ্য নিয়ে আলোচনা করব যাতে আপনি প্রতারিত না হন। আমরা জানবো কলিং
ভিসার সর্বশেষ আপডেট খরচের বিস্তারিত হিসেব। সবচেয়ে লাভজনক ছয়টা চাকরি তালিকা
সহ বেতনের আঁকার আক্ষা বাস্তব অভিজ্ঞতা আর শেষে সিদ্ধান্ত এখন যাওয়া উচিত কিনা।
এবং কমেন্টে লিখুন আপনি কোন সেক্টরে যেতে চান। চলুন ধাপে ধাপে এগুই শুরু
করি সবচেয়ে জরুরী প্রশ্ন দিয়ে মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা ২০২৫ কবে খুলবে এবং
মেডিকেল কবে শুরু হবে দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পরে ইতিমধ্যে একটি ভালো খবর এসেছে
মালয়েশিয়া সরকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেছে যে ২০২৫ সালের কলিং ভিসা প্রক্রিয়া
শুরু হচ্ছে এবং বাংলাদেশ সহ ভারত নেপাল পাকিস্তান মায়ানমারের এজেন্সি গুলোকে
তারা কিছু শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন দিচ্ছে। সর্বশেষ আপডেট অনুসারে ২০২৫ সালের আগষ্ট
মাস থেকে আবেদন খোলা হয়েছে এবং মোট ২৪ কোটি ৬৮ লক্ষ বিদেশী কর্মীর জন্য কোটা
রাখা হয়েছে এর মধ্যে বাংলাদেশের জন্য বড় অংশ কৃষি বাগান নির্মাণ উৎপাদন সার্ভিস
সেক্টরসহ ১৩টা খাতে ফোকাস।
আবেদনের শেষ তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারপর থেকে কোটা ধাপে ধাপে কমবে এবং
২০২৬-এ প্রথম ত্রৈমাসিকে কিন্তু মেডিকেলের কথা বলি এটাই তো প্রথম ধাপ আর এখানে
সবচেয়ে বেশি গোলমাল হয় সাম্প্রতিক খবর হলো মালয়েশিয়ার সরকার ঘোষণা করেছে যে
মেডিকেল টেস্ট শুরু হয়ে গেছে হ্যাঁ আপনি ঠিক শুনেছেন নভেম্বর ২০২৫এর মাঝামাঝি
থেকে সীমিত আকারে মেডিকেল চালু হবে। নির্বাচিত এজেন্সি গুলিকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে
ফেইল জমা দিতে বলা হয়েছে এবং অনুমোদন পাওয়ার পর পরই মেডিকেল শুরু হবে এটা
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত সেন্টারে হবে। রক্ত পরীক্ষায় এক্সপ্রেস শারীরিক চেকআপ
রক্তচাপ ওজন চোখের পরীক্ষা এমন কি মাদক টেষ্টোও হবে।
যদি ফিট প্রমাণিত হন তাহলে পরের ধাপে যাবেন কিন্তু মনে রাখবেন এখনো
পুরোপুরি খোলা নয় প্রথমে ২০২৪ এর আটকে থাকা ফাইলগুলো ক্লিয়ার হবে তারপর নতুন
ধারণা করা হচ্ছে দুই হাজার পঁচিশ এর ডিসেম্বর এর মধ্যে ফ্লাইট শুরু হতে পারে আর
পূর্ণাঙ্গভাবে ২০২৬ এর জানুয়ারি থেকে এই তথ্য সরাসরি মালেশিয়ার ইমিগ্রেশন
ডিপার্টমেন্ট এবং বিএমিটির অফিসিয়াল সূত্র থেকে যদি এর আগেই আপনার আশেপাশে কেউ
বলে মেডিকেল শুরু হয়ে গেছে এখুনি টাকা দাও তাহলে সাবধানএটা প্রতারনা হতে পারে।
অফিসিয়াল ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অগ্রিম টাকা দেবেন না এবার কথা বলে আসল টার্নিং
পয়েন্ট নিয়ে।এজেন্সি গুলোর শর্তাবলী নিয়ে কারণ এখানে এসেছে সবচেয়ে বড় ধরনের
পরিবর্তন ।মালয়েশিয়ার সরকার এবার জোর দিচ্ছে একটা কথায় সেটা হচ্ছে স্বচ্ছতা,
ফাঁকিবাজি, প্রতারনা যেন একেবারে বন্ধ হয় আর সেই জন্যই তারা দিয়েছে ১০ টি কঠোর
শর্ত।
শেষ মুহূর্তে কি বাংলাদেশ মালযেশিয়ার শ্রমবাজার হারাতে যাচ্ছে
মালয়েশিয়াকে তিন শর্ত শিথিল করতে চিঠি দিল বাংলাদেশ। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে
কর্মী প্রেরণে আগ্রহী রিক্রটিং এজেন্সি গুলোকে ১০ শর্ত দেয় মালয়েশিয়া সরকার।
সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারকে দেওয়া এক চিঠিতে শর্তগুলো জানানো হয়। তবে এই ১০
শর্তের মধ্যে তিনটি শিথিল করার অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত ৪ নভেম্বর দেশটির
সরকারকে দেওয়া এক চিঠিতে শর্ত শিথিলের অনুরোধ জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও
বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডক্টর আসিফ নজরুল।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া
মালেশিয়া সরকার ১৪ নভেম্বরের মধ্যে রিক্রটিং এজেন্সির তালিকা পাঠানোর কথা বলেছিল
সময়সীমা ও বাড়াতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এদিকে গত বছেরের ৩১ মে মালয়েশিয়া যেতে
না পারা ১৭ হাজার কর্মীর মধ্যে প্রথম দফায় ৭ হাজার কর্মী নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল
মালয়েশিয়া সরকার। দেশটির নির্মাণ ও পর্যটন খাতে এসব কর্মী নেওয়ার কথা ছিল।
কিন্ত নির্মাণ খাতের চাহিদাপত্র পেলেও এখন পর্যন্ত নির্মাণ ও পর্যটন খাতের কোন
চাহিদাই বাংলাদেশ পায়নি বলে জানিয়েছেন ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিঃ
(বোয়েসেল) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
একই সঙ্গে প্রথম ধাপের তালিকা করা ৭০০০ কর্মীর মধ্যে মাত্র ৩০০০ কর্মী
আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। জনাব মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন,মালয়েশিয়া
থেকে চাহিদা পাওয়ার পর পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ও আমাদের জেলা-উপজেলা প্রশাসনের
মাধ্যমে তালিকা করা ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের জানানোর চেষ্টা করেছি ।এর মধ্য থেকে
মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য মাত্র ৩০০০ কর্মী আবেদন করেছেন। মালয়েশিয়ার কোম্পানি
তাদের উচ্চতা বয়স ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে নির্মাণ খাতের জন্য বাছাই করেছে।
আমরা তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। আমরা মালয়েশিয়া সরকারের ঘোষিত ৩১
ডিসেম্বরের মধ্যে প্রশিক্ষণরতদের পাঠানোর চেষ্টা করব। এরপর বাকিদের জন্য সময়সীমা
বাড়ানোর বিষয়ও চিঠি দেওয়া হবে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় মালয়েশিয়া
সরকারের শর্তে ছিল কর্মী পাঠানো রিক্রটিং এজেন্সির দশ হাজার বর্গফুট আয়তনের অফিস
থাকতে হবে। কিন্তু বেশিরভাগ এজেন্সির এত বড় অফিস নেই। তাই এই শর্ত শিথিল করতে
অনুরোধ করা হয়েছে। আরেকটি শর্ত ছিল কর্মী পাঠানোই আগ্রহী এজেন্সি গুলোর নিজস্ব
ট্রেনিং সেন্টার থাকতে হবে। কিন্তু বেশিরভাগ রিক্রটিং এজেন্সি প্রশিক্ষণের জন্য
বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর( বিএমইটি) প্রশিক্ষণ
কেন্দ্রগুলো (টিটিসি) ব্যবহার করে থাকে। তাই এই শর্ত শিথিল করতে অনুরোধ করা
হয়েছে এছাড়া এজেন্সি গুলোর পাঁচ বছরে ৩০০০ কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
বলে শর্ত জুড়ে দিয়েছিল মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ।
এই শর্ত ও শিথিলের অনুরোধ জানানো হয়েছে। মালয়েশিয়ার সরকারের এই ১০ শর্ত শুধু
বাংলাদেশকে নয় ভারত,নেপাল,পাকিস্তান ও মিয়ানমারকেও দেওয়া হয়েছে ওই দেশগুলোও
এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে গত বছরের ৩১ মে
থেকে বন্ধ মালয়েশিয়া শ্রমবাজার। একাধিকবার বৈঠক করেও এখন পর্যন্ত সুফল আসেনি।
বাজারটি যাতে চালু হওয়ার পর আবার সিন্ডিকেটের দখলে না গিয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত
হয় তা নিয়ে দেশটির সরকারের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছে বাংলাদেশ সরকার। প্রথম
দিকে আলোচনা ফলপ্রসু না হলেও সাম্প্রতি এ বিষয়ে নজর দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার।
তবে জুড়ে দেয়া ১০ শর্ত পূরণ করা মানে আবারও এই শ্রমবাজার সিন্ডিকেটের কবলে
যাচ্ছে বলে মনে করছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এটি ঠেকানোর জন্যই তিন শর্ত শিথিলের অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী
কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার একান্ত সচিব (উপসচিব)
মুহাম্মদ শওকত আলী। উল্লেখ্য দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক
নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। নতুন সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে সেই বাজার খুলতে
সময় লেগেছিল তিন বছর। ২০২২ সালের আগস্ট এ দেশটিতে আবারো বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া
শুরু হয়। সর্বশেষ কর্মী গেছে গত বছরের ৩১ মে সব কাগজপত্র ঠিক থাকলেও শেষ
মুহূর্তে প্রায় ১৭ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া যেতে পারেনি। তাদের মধ্য থেকে ৭
হাজার ৮২৩ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করে মালয়েশিয়ার সরকার। এর মধ্যে তাদের
সে দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তবে নতুন কর্মী নিয়োগ এখনো বন্ধ।
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর ১০ শর্ত
মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর এজেন্সির যে ১০ টি শর্ত মানতে হবে (Malaysia give 10
condition for all agency)আবারো মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর নতুন সুযোগ হয়েছে
বাংলাদেশের। তাই যোগ্য এজেন্সির তালিকা চেয়েছে দেশটির সরকার। তবে এজেন্সি
নির্বাচনে নতুন শর্ত দিয়েছে মালয়েশিয়া। এসব শর্ত পূরণে সক্ষম বৈধ লাইসেন্সধারী
রিক্রটিং এজেন্সি কে আগামী সাত নভেম্বরের মধ্যে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক
কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে আবেদনের জন্য বলা হয়েছে।
মালেয়েশিয়ার রিক্রটিং এজেন্ট হতে মানতে হবে যেসব শর্ত
১। লাইসেন্স প্রাপ্তির পর ন্যূনতম পাঁচ বছর সন্তোষজনক কার্যক্রম পরিচালনার
অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
২। বিগত পাঁচ বছরে বিদেশে ন্যূনতম ৩০০০ কর্মী প্রেরণের প্রমাণ থাকতে হবে।
৩। বিগত পাঁচ বছরের মধ্যে অন্তত তিনটি ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্য দেশে কর্মী প্রেরণ ও
কর্মসংস্থানের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
৪। প্রশিক্ষণ,মূল্যায়ন,নিয়োগ এবং বিদেশে কর্মসংস্থানের বিষয়ে বাংলাদেশের
সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রিক্রটিং এজেন্সির অনুকূলে বৈধ লাইসেন্স থাকতে
হবে।
৫। কর্মী প্রেরণকারী দেশের যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রিক্রটিং এজেন্সির অনুকূলে
সদাচরণের সনদ থাকতে হবে।
৬। এজেন্সির বিরুদ্ধে জবরদস্তি মুলকভাবে শ্রমে নিয়োগ,মানব পাচার,শ্রম আইন লঙ্ঘন,
জোরপূর্বক অর্ধ আদায় ,অর্থ পাচার বা অন্য কোন আর্থিক অপরাধ এবং অনৈতিক অভিবাসন
কর্মকান্ডে জড়িত থাকার রেকর্ড থাকা যাবে না
৭। সামগ্রিক সুবিধাদিসহ রিক্রটিং এজেন্সির নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও মুল্যায়ন কেন্দ্র
থাকতে হবে- যেখানে আবাসন,কারিগরি প্রশিক্ষণ সুবিধাসহ দিক নির্দেশনা মডিউল থাকতে
হবে।
৮। এজেন্সির অনুকূলে পৃথক পৃথক পাঁচজন আন্তর্জাতিক নিয়োগকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত
সন্তোষজনকভাবে অভিবাসন কার্যক্রম সম্পাদনের প্রশংসা পত্র থাকতে হবে।
৯। রিক্রটিং এজেন্সির অব্যশই কমপক্ষে তিন বছর যাবৎ পরিচালিত নুন্যপক্ষে ১০ হাজার
বর্গফুট আয়তন বিশিষ্ট একটি স্থায়ী অফিস থাকবে, যেখানে কর্মী বাছাই ও নিয়োগ
কার্যক্রম পরিচালনার মতো অবকাঠামোগত সুবিধা থাকতে হবে
১০। রিক্রটিং এজেন্সির অবশ্যই ইতঃপূর্বে বিদেশে কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে গন্তব্য
দেশের (মালয়েশিয়াসহ) নিয়োগ প্রক্রিয়ার শর্তাবলী আইনসম্মত ও পদ্ধতিগতভাবে
অনুসরণ করার প্রমাণক থাকতে হবে।
শর্তগুলো পূরণকারী সব রিক্রটিং এজেন্টকে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর জন্য
তালিকাভুক্ত করতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হবে বলেও
কার্যবিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে।
মালয়েশিয়ায় যেতে কত টাকা খরচ হবে
অল্প কিছু বড় এজেন্সির হাতেই চলে যাবে নিয়ন্ত্রণ আর এখানেই তৈরি হচ্ছে নতুন
সিন্ডিকেট বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল রিক্রটিং এজেন্সিস অর্থাৎ
ইতিমধ্যে এই অযৌক্তিক শর্তপ্রতাহারের দাবী জানিয়েছেন তবে বাস্তবতা হচ্ছে এই
নিয়মের লক্ষ সচ্ছতা আনা পুরো প্রক্রিয়া হবে ডিজিটাল আপনি নিজেই অনলাইনে ফাইল
ট্রাক করতে পারবেন কোন ভুয়া কাগজপত্র জমা পড়লে সংগে সংগে বাতিল তাই মনে রাখবেন
বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন যদি সত্যি করতে চান তাহলে শুধুমাত্র অনুমোদিত এজেন্সির
তালিকা দেখে যান যা পাবেন বিএমএটি এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইটে।
এখন আসেন মুল প্রশ্নে মালেয়শিয়া যেতে কত টাকা লাগবে অনেকে ভাবে ৩-৪ লাখ টাকা
দিলেই হয়ে যাবে কিন্তু বাস্তবে খরচ অনেক বেশি এবং ভুল এজেন্টে গেলে সব হারাবেন
ধাপে ধাপে হিসেব করি প্রথমত এজেন্ট ফি অফিসিয়ালি এক থেকে দুই লাখ টাকা কিন্তু
অতিরিক চার্জ যোগ হলে আড়াই লাখও হতে পারে। দ্বিতীয়ত মেডিকেল ফি ৫ থেকে ৭ হাজার
টাকা যাতে রক্ত এক্সরে সব অন্তর্ভুক্ত। তৃত্বীয়তঃভিসা প্রসেসিং ফি ১০ থেকে ১৫
হাজার টাকা চথুর্ত্বঃ টিকিট রাউন্ড ট্রিপ ৩০/ ৪০ হাজার টাকা। পঞ্চমতঃ প্রশিক্ষণ ও
অন্যান্য ছবি ডকুমেন্ট ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। মোট মিলিয়ে পাঁচ থেকে ছয় লাখ
টাকা সহজে লাগে কিন্তু এটা আনুমানিক কোম্পানির উপর নির্ভর করে কিছু কম বেশি হতে
পারে।
আর যদি ডাইরেক্ট কোম্পানি ভিসা নেন তাহলে কিছু খরচ কমবে।
কাজের ধরন হিসাবে মাসে কত টাকা ইনকাম হবে
এবার সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অংশ মালয়েশিয়ায় কাজের অবস্থা,চাকরী আর বেতন এখানে এমন কিছু চাকরি আছে যেখানে অভিজ্ঞতা ছাড়া ৬০/৭০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব আর দক্ষতা থাকলে লক্ষ্য টাকা ছাড়িয়ে যাবে কিন্তু ভুল চাকরি বেছে নিলে প্রথম মাসেই বিপদ ২০২৫ এ ফ্যাক্টরি রেস্তোরাঁ কনস্ট্রাকশন বাগানসহ সেক্টরে বড় পরিবর্তনের এসেছে বেতন বেড়েছে সুযোগ বেড়েছে। চলুন প্রথমে অদক্ষ চাকরি গুলো দেখি যা নতুনদের জন্য পারফেক্ট প্রথম নাম্বার ফ্যাক্টরি ওয়ার্কার বেসিক ১৮০০ থেকে ২২০০ রিঙ্গিতির অর্থাৎ ৫১ থেকে ৬৩ হাজার টাকা ওভারটাইম করলে মাসে ৭০ থেকে ৮০ ঘন্টা অর্থাৎ ২৫০০ থেকে ৩০০০ রিঙ্গিত
অর্থাৎ ৭২ থেকে ৮৬ হাজার টাকা সুবিধা কোম্পানি ভিসা,থাকা খাওয়া ফ্রি বছরে
ভিসা ঋণও মাসে দুই থেকে চার দিন ছুটি অভিজ্ঞতা লাগে না শুধু শারীরিক ফিটনেস
কিন্তু লোকেশন আর শিফ্ট অনুযায়ী বেতন ভ্যারি করতে পারে। দ্বিতীয় সুপার মার্কেট
স্টাফ বেসিক এক হাজার ৭০০ থেকে ২২০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ ৪৮ থেকে ৬৩ হাজার টাকা এখানে
শারীরিক পরিশ্রম কম ছুটি আছে আর ভাষা একটু জানলে ভালো নতুনদের জন্য আইডিয়াল কারন
আরামদায়ক। তৃতীয় রেস্তোরা বা হোটেল স্টাফ বেসিক ১০০০ থেকে ২২০০ রিঙ্গীত অর্থাৎ ৪৮
থেকে ৬৫ হাজার টাকা কিন্ত ট্রিপস যোগ হলে আরও এক্সট্রা ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা
মাসে যোগ হবে।
থাকা খাওয়া ফ্রি আর কাস্টমারের সাথে কথা বলার সুযোগ। চতুর্থ ক্লিনার বেসিক ১৭০০
থেকে ২২০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ ৪৮ থেকে ৬৩ হাজার টাকা দুটি আট ঘন্টা ওভারটাইমস স্কোপ
আছে সুবিধা-থাকা এবং ভিসা রিনিউ ফ্রি। পঞ্চম - কনস্ট্রাকশন ওয়ার্কার এখানে বেতন
বেশী। বেসিক ১৮০০ থেকে ২৫০০ রিঙ্গিত ৫১ থেকে ৬২ হাজার টাকা ওভারটাইমসহ ২৫০০ থেকে
৪০০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ ৭২ থেকে ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা কিন্তু শারীরিক শক্তি লাগবে
তবে দক্ষতা ছাড়াই শুরু করা যায়। শেষ অদক্ষ চাকরি সিকিউরিটি গার্ড বেসিক ২০০০ থেকে
৩০০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ ৫৭ থেকে ৮৬ হাজার টাকা সুযোগ কম তবে দক্ষতা থাকলে ভালো আয়।
হাই ডিমান্ড কর্মচারী ও ফ্রি ভিসার শ্রমিকের বেতন
এখন হাই ডিমান্ড চাকরী গুলোতে যায় প্রথম ইলেকট্রিশিয়ান দক্ষ হলে বেসিক ২০০০ থেকে
৩৫০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ ৫৭ থেকে ১ লক্ষ টাকা ফ্রি ভিসায় স্বাধীনভাবে কাজ করলে চার
হাজার রিঙ্গিত অর্থাৎ ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা। দ্বিতীয় ওয়েল্ডার বেসিক ৩০০০ রিঙ্গিত
অর্থাৎ ৬২ থাকে ৮৬ হাজার টাকা দক্ষতা থাকলে ৪০০০ রিঙ্গীত পর্যন্ত । তৃতীয় টেইলার
বেসিক ২০০০ থেকে ৩৫০০ রিঙ্গীত অর্থাৎ ৫৭ হাজার থেকে ০১ লক্ষ টাকা সিজানালাই ৪০০০
রিঙ্গীত অর্থাৎ ১ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা এই চাকরী গুলোতে যত দক্ষতা তত বেশী আয় করতে
পারবেন।
তবে সাধারণ বেতনের কথা বললে বেসিক ১৫০০ থেকে ১৭০০ রিঙ্গি ওভারটাইমে ২৩০০ থেকে
২৫০০ রিঙ্গিত অর্থাৎ ৭০০০০ টাকা। ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিজের খরচের জন্য লাগবে
এবং দেশে পাঠানো যাবে ৪৫ থেকে ৫৫ হাজার টাকা । যারা ধৈর্য ধরে অফিসিয়াল পথে গেলে
তারা ডাইরেক্ট কোম্পানি ভিসা এসেছিল হয়েছেন অফিসিয়াল ঘোষণা অপেক্ষা করুন ।
মেডিকেলে ধরা পড়লে সব শেষ সংক্ষেপে ২০২৫ এ মালয়েশিয়া আসা উচিত পাঁচ থেকে ছয়
লাখ বেতন এক হাজার ৫০০ থেকে ১০০৭০০ রিংগিত থেকে শুরু করে লক্ষ টাকা পর্যন্ত
ডাইরেক্ট কোম্পানি এই তথ্য যদি কাজে লাগে শেয়ার করুন যাতে অন্যরা প্রতারিত না
হয় চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন ধন্যবাদ।
মালয়শিয়া কলিং ভিসায় কি কি লাগবে
আপনি মেডিকেলর জন্য কোন কোন ডকুমেন্ট রেডি রাখবেন এবং কোন কোন ধাপে মেডিকেল করবেন
যাতে আপনার সুবিধা হয়। প্রথমেই মালয়েশিয়া ভিসার জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কোন
দরকার নাই । আপনি যে এমবাসির কাছে পাসপোর্ট জমা দিবেন কিছুদিনের মধ্যেই হয়তো
আপনাকে মেডিকেলের জন্য ডাকবে আপনি ঐ অফিসের নির্দেশনা অনুযায়ী মেডিকেলের জন্য
আপনাকে যে সেন্টারে যেতে বলবে সেই মেডিকেল সেন্টারে যাবেন। মেডিকেল করার সময়
অবশ্যই আপনি বারবার যে মেডিকেল করবে তাকে জিজ্ঞাসা করবেন আপনার মেডিকেলের পরীক্ষা
গুলো সম্পন্ন হয়েছে কিনা কারণ মেডিকেলের অনেক কাজ অনেক সময় অসম্পন্ন রয়ে যায় তাই
জিজ্ঞাসা না করে যদি নিজে নিজে চলে আসেন তাহলে মেডিকেল রিপোর্ট বাতিল হয়ে যাবার
সম্ভাবনা থাকে
অতএব অব্যশই আপনার মেডিকেল রিপোর্ট আসবে না এবং আপনাকে আবার মেডিকেল করতে হবে এবং
ভিসা প্রসেসিং এর কাজ অনেক স্লো হয়ে যাবে তাই অবশ্যই যে মেডিকেল এক্সিমিনার
থাকবে তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে আপনার মেডিকেলের কাজ সম্পন্ন হয়েছে কিনা যদি
সম্পূর্ণ হয়ে যায় তাহলে আপনি চলে আসবেন। দ্বিতীয়ত আপনি বিএমইটি কার্ড করবেন।
বিএমইটি কার্ড কি জিনিষ আপনি হয়তো অবশ্যই জানেন। আপনার এলাকায় দেখবেন জেলা
ভিত্তিক টিটিসি (কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র) আছে সেখান থেকে BMET কার্ড করবেন
অথবা অন লাইন ভিত্তিক যে সব দোকান আছে সেখান থেকে করবেন ।
তিন নাম্বার হচ্ছে আপনি একটা ব্যাংক একাউন্ট করবেন। তারপর আপনি মেডিকেল পেলে
মেডিকেল রিপোর্ট এবং ব্যাংক একাউন্ট সহ আবার টিটিসি তে যাবেন এবং ভর্তি হবেন।
বিদেশ গমনের পূর্বে একটা তিন দিনের যে PDO একটা ট্রেনিং হয় সেই ট্রেনিং করবেন।
তারপর ইভিসা পেলে আবার আপনি সরাসরি টিটিসি তে যাবেন এবং সেখান থেকে ফিংগারিং এর
কাজ শেষ হলেেএকটা BMET Success Certificate আসবে তখন আপনি BMET Success
Certificate,ব্যাংক একাউন্ট/মানি রিসিভ,পিডিও ট্রেনিং সার্টিফিকেট নিয়ে আপনি যে
এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশ যাবেন সেই অফিসে গিয়ে জমা দিবেন।
ভিপি(টিই) এর মেয়াদ - EXTENSION OF VP(TE)
-
ভি পি (টি ই )এর মেয়াদ ১২ মাসের জন্য বৈধ। নিয়োগকর্তারা মেয়াদ শেষ হওয়ার
৩ মাস আগে ভিপি(টিই) এর মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
-
নিয়োগকর্তাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে ভিপি (টিই )এর মেয়াদ শেষ হওয়ার
আগেই বর্ধিতকরণের আবেদন করা হয়েছে।
-
মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের পরে জমা দেওয়া যেকোনো আবেদন বিবেচনার জন্য
ইমিগ্রেশন এনফর্সমেন্ট বিভাগে পাঠানো হবে।
-
ভিপি (টিই) মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদনের ক্ষেত্রে এই চেকলিস্টে মেনে চলতে হবে:
- বিদেশি কর্মীর পাসপোর্ট এখনও ১২ মাস এবং তার বেশি মেয়েদের জন্য বৈধ।
- ভিপি (টিই) মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন পত্র
-
কর্মচারী/কোম্পানি প্রতিনিধির পরিচয় পত্র (এসএস এম) কোম্পানি/ ফর্ম ৪৯ /ফর্ম
বিওডি/কার্ড কোম্পানি প্রতিনিধি/ কোম্পানির প্রতিনিধিদের দ্বারা অনুমোদিত
ফর্ম/ নিয়োগকর্তার পরিচয় পত্রের অনুলিপী)
-
নিরাপত্তা বন্ড হল ব্যাংক গ্যারান্টি/ বীমা গ্যারান্টি/ আমানতের একটি
রূপ(ব্যাংক গ্যারান্টি/বীমা গ্যারান্টির মেয়াদ কমপক্ষে ১৮ মাস।)
-
স্বাস্থ্য বীমা সুরক্ষা প্রকল্পের বীমা নীতি বিদেশী কর্মী (SPIKPA) এর
প্লান্টেশন সেক্টর ব্যতিত।
- বিদেশি কর্মীদের ক্ষতিপূরণ প্রকল্পের স্লিপ (FWCS)
-
বিদেশী কর্মীদের অবশ্যই একটি মেডিকেল পরীক্ষা করতে হবে। এবং (FOMEMA) তে
নিবন্ধিত ক্লিনিক/ মেডিকেল সেন্টার দ্বারা উপযুক্ত প্রমাণিত হতে হবে
(শুধুমাত্র দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বছরের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য)
কর্মসংস্থানের সময়কাল এবং প্রত্যাবাসন
বিদেশি কর্মীরা প্রতি বছর ১০ বছর পর্যন্ত এই দেশে কাজ করার অনুমতি পান। তবে 6P
প্রোগ্রামের অধীনে নিবন্ধিত ব্যক্তিরা কেবল ৩ বছর পর্যন্ত কাজ করার অনুমতি পান।
কর্মসংস্থান শেষ হওয়ার পরে বা অবসানের পরে নিয়োগকর্তাদের অবশ্যই চেক আউট মেমোর
ব্যবহার করে বিদেশী কর্মীদের তাদের মূল দেশে নির্বাচিত করা নিশ্চিত করতে হবে। চেক
আউট মেমোর মাধ্যমে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি যথাযথভাবে সম্পন্ন হলে নিরাপত্তা বন্ড
দাবী করা যেতে পারে।মালেশিয়ার অভিবাসন মহাপরিচালক এর কাছে নগদ বা ব্যাংক ড্রাফটে
অর্থ প্রদান করা যেতে পারে।রাষ্ট্রীয় অফিসের জন্য (সংশ্লিষ্ট রাজ্যের) অভিবাসন
পরিচালকের কাছে এটি পাঠান। উদাহরণস্বরুপ; সেলাঙ্গরের অভিবাসন পরিচালক।
ভিপি (টিই) পারমিটধারী বিদেশি কর্মীদের অবশ্যই এই শর্তগুলি মেনে চলতে হবে:
- পরিবারের সদস্যদের এই দেশের সঙ্গী হতে বা বসবাস করতে দেওয়া হবে না।
- অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী হিসেবে কাজ করতে হবে না।
- নিয়োগকর্তা বা কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে পরিবর্তন অনুমোদিত নয়।
- স্থানীয় বা বিদেশী নাগরিকদের সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ।
- বিদেশি কর্মীদের পলাতক
বিদেশি কর্মীদের পলতক হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে যখন পালানোর উদ্দেশ্যে
নিয়োগকর্তাদের অবহিত না করে কর্মস্থল ত্যাগ করা এবং মূল দেশ থেকে ফিরে আসার পর
কর্মস্থলে ফিরে না আসা নিয়োগকর্তাদের পলাতক মামলার জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগকে
অভিহিত করতে হবে এবং নিম্নলিখিত নথিগুলি সরবরাহ করতে হবে:
- নিয়োগকর্তা/কোম্পানির প্রতিনিধির পরিচয় পত্র।
- বিদেশি কর্মীর পাসপোর্ট এর কপি
- বিদেশি কর্মী পলাতক ফ্রর্ম
- বৈধ পুলিশ রিপোর্ট
-
পলাতক কাজ করা বিদেশী কর্মীদের ইমিগ্রেশন বিভাগ কালো তালিকাভুক্ত করবে।
- তাদের নিরাপত্তা বন্ড ও বাজেয়াপ্রাপ্ত করা হবে।
- কর্মসংস্থান বিভাগ কর্তৃক বিদেশি কর্মী (রঙ্গিন) পরিচয় পত্র।
- (i-Kad )
-
বৈধ VP(TE) সহ বেদেশী কর্মিদেরও i-Kad জারি করা হবে এবং এর মেয়াদ বৈধ VP(TE)
এর সাথে একই।
-
i-Kad ইস্যু করা জন্য নিয়োগকর্তাদের কোন অতিরিক্ত খরচ হয় না এবং অনুমোদিত
বিক্রেতা এটি সরাসরি নিয়োগকর্তা/ কোম্পানির কাছে পাঠাবে।
-
i-Kad ইস্যু করা এই দেশে অনুমোদিত ৬টি কর্মসংস্থান ক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করে।
- মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যাচাই করতে পারেন
মালেয়শীয়া সরকার কর্তৃক বিদেশী কর্মী নিয়োগের প্রয়োজনীয় নীতিমালা
REQUIREMENTS FOR HIRING FOREIGN WORKERS
Working in Sectors- Manufacturing,Constraction,Agriculture,Plantation and
Service.
Applications for foreign workers by employers/companies are subjected to
quotas approval from One stop Center(OSC),Ministry of Human Resources.
Age between 18 to 45 years at the time of application.
Certified healthy by health examination center in the source country;
List of health centers.
Respective employees are not included in the list of foreign
individuals prohibited from entering under section 8(3) immigration
Act 1959/1963;
আরও পড়ুন ঃ সার্বিয়া যেতে কত খরচ পড়বে
Foreign workers must be from source countries allowed such as
followers:
| INDONESIA |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| THAILAND |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| CAMBODIA |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| BANGLADESH |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| MYANMAR |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sectop |
| LAOS |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector
|
| VIETNAM |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| PAKISTAN |
✅ |
✅ |
Allowed to workin all sector |
| SIRILANKA |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| TURKMENISTAN |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| UZBEKKISTAN |
✅ |
✅ |
Allowed to work in all sector |
| NEPAL |
✅ |
✅ |
Permitted to work in all sectors and security sector (male) as a
security guard.
|
| PHILIPPHINES |
❎ |
✅ |
Male workers allowed in all sectors,and female workrs allowed only for
Domestic Helper. e
|
| INDIA |
✅ |
✅ |
Allowed for the service sector (sub-sector of Indian community
business ,laundry/cleaning and cargo)agriculture farming,manifacturing
and construction
|
NOTE: Source : Ministry of Human Resources (MoHR)
APPLICATION PROCEDURES
Phase 1 (Before Arrival)
1.Foreign workers will only be allowed to enter into the country through
designated entry points using the VDR issued by the immigration Department
of Malaysia and the entry Visa issued by the Malaysia Representative office
in the home country.
2. Employers must ensure that the clearence of foreign workers are within
six (6) hours of their arrival.
3. For the purpose of issuing the visit pass temporary employment
(VPTE) employers are given a period of 30 days to conduct health examination
of foreign workers at the registered health center with FOMEMA.
4. The VPET will only be issued after the foreign workers is certified
healthy by a healthy center registered with FOMEMA if the foreign
workers is found to be unfit ,the employer must promptly send the foreign
worker back to their origin country by applying the check out memo (COM).
5. The issuance of VPTE must only be done at the immigration office which
issued the VDR approval.
NOTE
Application for foreign workers to work in sabah and sarawak are subject to
jurisdiction of the respective state goverments according to the established
procedures.
Phase 2 (After Arrival)
1. Foreign workers will only be allowed to enter the country at the
authorized entry points using the VDR issued by the immigration department
and entry visa issued by the Malaysia attaches office in the country of
origin.
2.Employers must ensure that the clearance process of foreign workers at the
entry points is done within 24 hours from the arrival time.
3. The issuance of visit pass(Temporary employment) VP(TE) to the foreign
workers will only be done after they have passed the FOMEMA medical
examination within 30 days which can be done at any medical centers
registered with FOMEMA.
4. VP(TE) will be issued once foreign workers is certified fit by
clinic/medical center registered with FOMEMA. Failing which the foreign
workers will not be allowed to stay and work in this country.
Employers are required to apply for check out memo for the repatriation of
the foreign worker.
5. issuance of VP(ET) shall be made at the immigration office which issued
the VDR approval letter.
EMPLOYMENT PERIOD AND REPAYRIATION
-
Foreign workers are allowed to work in this country every year for up to
10 years. However, those registered under the 6P program are allowed to
work up to 3 years only.
-
Upon ,the completion or termination of employments the employers must
ensure that foreign workers are deported to their origin countries by
using check out memo.Security bond csn be claimed provided the
repatriation process is done accordingly through check out memo.
FEES FOR VP(TE) EXTENSION
The following fee must be paid to the immigration Department for VP(TE)
extension application.
| Manufacturing |
RM1,850.00 |
RM1,010.00 |
| Construction |
RM1,850.00 |
RM1,010.00 |
| Plantation |
RM640.00 |
RM590.00 |
| Agriculture |
RM640.00 |
RM410.00 |
| Services |
RM1,850.00 |
RM1,490.00 |
| Services(island resort) |
RM1,850.00 |
RM1,010.00 |
Table 1 : Rate of levy,VP(TE) and process fee based on different sector
| INDONESIA |
15 |
250 |
| BANGLADESH |
20 |
500 |
| PAKISTAN |
20 |
750 |
| MYANMAR |
19.5 |
750 |
| INDIA |
50 |
750 |
| FILLPINA |
36 |
1,000.00 |
| THAILAND |
Percuma |
250 |
| KEMBOJA |
20 |
750 |
| NEPAL |
20 |
750 |
| VIETNAM |
13 |
1,500.00 |
| SRILANKA |
15 |
750 |
|
|
|
শেষকথা -মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে
শেষ কথা হলো “সাধু সাবধান”মালয়েশিয়া ভিসা কবে খুলবে - মালয়েশিয়া কলিং ভিসা ২০২৫
অনেক প্রতিক্ষার পর মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয় ডঃ ইউনুস স্যার মালয়েশিয়া কলিং ভিসা
২০২৫ নিয়ে এসেছেন এখন আপনার সিদ্ধান্ত কিভাবে যাবেন তবে আমি বলবো দেখে শুনে
যাচায় বাচায় করে সিদ্ধান্ত নিবেন। দালালের ক্ষপ্পরে পইড়েন না। অনেকে বৌয়ের গহনা
বিক্রি করে,গরু ছাগল,জমি বিক্রি করে এমন কি ব্যাংক লোন নিয়ে যাবেন দেখেন আবার
প্রতারকের পাল্লায় পড়ে নিস্ব্য হয়ে জীবনটাকে ধংস্ব করেন না চোখ কান খোলা রেখে
বিশস্থ্য এজেন্টের মাধ্যমে যাবার চেষ্টা করবেন।আমি যতটুকু সম্ভব সঠিক তথ্য তুলে
ধরেছি। অনুগ্রহ করে নিজে পইড়েন,সাবস্ক্রাইব করেন এবং সম্ভব হলে আপনার
পরিচিদের শেয়ার করবেন প্লিজ।
থ্রিক্যাটভিলাতে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url