আমার কবে বিয়ে হবে -দ্রুত বিয়ে হওয়ার আমল


আমার কবে বিয়ে হবে এই কৌতুহল আর নানান প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে প্রায় প্রত্যেক তরুন তরুনীর জীবনে,আল্লাহ কি আমার জন্য কাউকে লিখে রেখেছেন ? আমি কি কখনো এমন একজনকে পাব যে আমাকে সত্যিকারের ভালবাসবে এই প্রশ্নগুলো তরুন-তরুনীদের অন্তরকে অশান্ত করে তোলে । কথায় আছে -”জন্ম,মৃত্যু আর বিয়ে আল্লাহর হাতে।”তাই হতাশ হবার কিছুই নাই আসুন জেনে নেওয়া যাক কোরআন হাদিসের আলোকে-৩দিনে,৭দিনে,৪১ দিনে ও ৯০ দিনে দ্রুত বিয়ে হওয়ার কিছু অজানা দোয় ও আমল সম্পর্কে।এই দোয়/আমলগুলি ১০০% কার্যকরী,পরীক্ষিত এবং খুবই শক্তিশালী কাজ হবেই ইনশাল্লাহ।

আমার-কবে-বিয়ে-হবে

পেজ সূচীপত্রঃ আমার কবে বিয়ে হবে

আপনার বিয়ে কার সাথে হবে

আমার বিয়ে কবে হবে এই প্রশ্নের উত্তর সম্পূর্ণরূপে আপনার জীবনের পরিস্থিতি প্রস্তুতি এবং সঠিক সঙ্গী পাওয়ার উপর নির্ভর করে বিয়ে জীবনেরএকটিগুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এটি কোন মেশিন বা সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে অনুমান করাসম্ভব নয়।

বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলেও এটি জীবনের একমাত্রলক্ষ্য বা চূড়ান্ত অর্জন নয় অনেক সময় সঠিক সঙ্গী খুঁজে পাওয়া বা জীবনেরপ্রস্তুতি সম্পন্ন না হওয়ার কারণে বিয়ে দেরি হতে পারে এমন পরিস্থিতিতে হতাশ হওয়ার কোন কারণ নেই বরং এটি একটি সুযোগ হতে পারে নিজের জীবনকে আরো সমৃদ্ধ করার। তবে বিয়ের সঠিক সময় বুঝতে আপনাকে কিছু বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে যেমন আপনার ব্যক্তিগত প্রস্তুতি ও পারিবারিক সমর্থন এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা। তাছাড়াও বিয়ের সাথে যে জিনিষটা অঙ্গাঅঙ্গীভাবে জড়িত সেটা হলো ভাগ্য। 

আপনার ভাগ্যে যতটুকু ভাল মন্দ ভোগান্তি লিখা আছে স্রষ্ঠার নির্ধারিত সময়ে ততটুকু আপনাকে ভোগ করতেই হবে এবং আপনার বিয়ে সেদিনিই হবে যেদিন মহান সৃষ্টিকর্তা লিখে রেখেছেন। সবিই নিজের সময় মত হবে তাই আপনার বিয়ে কবে হবে সে চিন্তা বাদ দেন। শুধু নিজের উপর আত্ন বিশ্বাস ও সৃষ্টিকর্তার উপর আস্থাশীল হোন ভরসা রাখুন। মনে রাখবেন স্রষ্ঠার প্রতিটি সৃষ্টিই সুন্দর।

 আমার বিয়ে কবে হবে ? মনে রাখবেন আল্লাহ সকলকে জোড়ায জোড়ায সৃষ্টি করেছেন আপনার জন্যও কেউ না কেউ সৃষ্টি হয়েছেন এবং আল্লাহর অশেষ লীলায় আপনার সঙ্গিও আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবেন। এটা নিয়ে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই ।

পবিত্র তিনি যিনি সৃজন করেছেন সকল কিছু জোড়ায় জোড়ায় যা ভুমিতে উৎপন্ন হয় এবং তোমাদের নিজেদের মাঝেও আর তাতেও যা তোমারা জান না।( সূরা -৩৬ ইয়সীন আয়াত নাম্বার ৩৬)।
 আর যিনি বানিয়েছেন সবকিছু জোড়ায় জোড়ায়। (সুরা -৪৩ যুখরুফ,আয়াত : ১২) 

আর নিশ্চয়ই তিনি সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় পুরুষ ও নারী (সুরা-৫৩ নাজম,আয়াত:৪৫) হে মানবজাতি ! নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে। সুরা ৪৯ হুজুরাত,আয়াত: ১৩) আর আমি বানিয়েছি তোমাদের জোড়ায় জোড়ায় (পুরুষ ও  নারী) সুরা ৭৮ নাবা,আয়াত: ৮)।

একজন বেকার হিসেবে এখন কি আমার বিয়ে করা উচিত হবে

বিয়ে শুধু একটি সামাজিক বন্ধন নয় । এটি একটি ইবাদত একটি পবিত্র সম্পর্ক যেখানে দুটি জীবন এক হয়ে যায় আল্লাহর রহমতের ছায়ায়। পবিত্র কুরআনে বিয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছেন তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত আছে এবং তোমাদের দাস-দাসিদের মধ্যে যারা অবিবাহিত আছে এবং তারা সৎ তাদের কে বিয়ে দিয়ে দাও।

আমার কবে বিয়ে হবে মুলত এখানে আল্লাহ তা আলা স্পষ্ট করে দিচ্ছেন যে বিয়ে শুধু একটি সামাজিক নীতি নয় বরং এটি ঈমানের অঙ্গ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যখন কোন ব্যক্তি বিয়ে করে তখন সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করে ফেলে অর্থাৎ বিয়ে কেবল মানবীয় প্রয়োজন নয়। এটি আমাদের ঈমানকে পূর্ণতা দেয়। 

আপনার যদি বিয়ে করার ইচ্ছা থাকে এবং আপনি যদি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হয়ে থাকেন তবে বিয়েটা করে ফেলাই উচিত হবে কারণ আমি দেখেছি যারা বিয়ে করেন তাদের সবার জন্য আল্লাহ কোন না কোন ভাল ব্যবস্থা করে দেন আল্লাহ আমাদের কামনার ব্যাপারে খুব ভালোভাবেই জানেন এবং তিনি তার বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু।

আপনি দুই রাকাত সালাত আদায় করে ইস্তেগফার দোয়া পড়ে এ কাজে অগ্রসর হতে পারেন ইস্তেগফার করে কাজ করলে আল্লাহ মানুষকে সঠিক পথ দেখা এবং ভুল পথ বন্ধ করে রাখেন আর দোয়াটা মুখস্ত না থাকলে শুধু দু,রাকাত সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলুন হে আল্লাহ আমার বিয়ে কবে হবে এবং কাজটা যদি ভালো হয়ে থাকে। 

তবে তাতে বরকত দান করুন এবং কাজটা সহজ করে দিন এরপর আপনি নিজের উন্নতির জন্য চেষ্টা চালাতে থাকুন এবং নিয়মিত সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে বেশি করে দোয়া করতে থাকুন কুরআন মজিদের সূরা বাকারার ১৫৩ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ এরশাদ করেন হে ঈমানদারগণ তোমরা ধৈর্য এবং সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথেই আছে।

 সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য বিবাহপূর্ব ৭টি প্রস্তুতি 

আমার বিয়ে কবে হবে এই চিন্তা বাদ দিয়ে বিয়ে করার আগে অবশ্যই আপনকে পূর্ব প্রস্ততি নিতে হবে। একজন বিবাহ ইচ্ছুক মানুষ যদি সঠিকভাবে বিবাহের পূর্ব প্রস্তুতি নেই আশা করা যায় আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে সুখি এবং শান্তিপূর্ন দাম্পত্য জীবন উপহার দিবেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক বিবাহপূর্ব
 ৭ টি প্রস্ততিমুলক কিছু বিষয়।

১। বিবাহের জন্য সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে প্রথম প্রস্তুতিমুলক বিষয় হলো নিজেক মুত্তকি,পরহেজগার এবং পাপের কাজ থেকে দুরে সরিয়ে রাখতে হবে।

২। আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে আল্লাহ তা আলা যেন একজন ভালো পরহেজগার জিবন সঙ্গী/ সঙ্গীনি যেন দান করেন এবং বিশেষভাবে সুরা ফোকানের ৭৪ নম্বর আয়াতের শেষ অংশ বা দোয়া অংশ টা সকাল সন্ধ্যাে  উটতে বসতে সবসময় কোন সংখ্যা নির্ধারণ না করে  বেশী বেশী পাঠ করতে হবে।

৩। একজন ভালো জীবন সঙ্গী/সঙ্গীনি যার ভিতর দ্বীনদার আছে,,তাকুয়া আছে,যার ভিতরে অল্পে তুষ্টি আছে,দুনিয়ার মোহ নাই দুনিয়ার লোভ লালসা নাই এরকম একজন মানুষকে জীবন সঙ্গী/সঙ্গীনি হিসাবে তালাশ করে নিতে হবে।

৪। জীবন সঙ্গী/জীবন সঙ্গীনি উভয় কে আল্লাহ তা আলা কি কি অধিকার দিয়েছেন,নির্দেশ দিয়েছেন সেই সম্পর্কে ভালভাবে রপ্ত করে নিতে হবে।

৫। হালাল উপায়ে হালাল উপার্জন করতে হব।

৬। তালাকের মাশ-আলা মাশায়েল গুলো ভাল করে জেনে নিতে হবে।

৭। পারিবারিক বিধিবিধান,নিষেধ/নিষেধাক্কা সম্পর্কে জানতে হবে।

বিবাহের পাাঁচটি লক্ষণ- আমার কবে বিয়ে হবে

আমার বিয়ে কবে হবে ? প্রিয় পাঠক বিন্দু আল্লাহর রহমতে আজ আমরা এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব যা প্রতিটি মানুষের এবং প্রতিটি মুমিন নরনারীর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বিবাহ একটি সামাজিক বন্ধন নয় এটি আল্লাহ তা-আলার এক মহান নিদর্শন এবং আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর সুন্নাহ। 

অনেক সময় আমরা জানতে চাই আমার বিয়ে কবে হবে এবং কখন আমার জীবনে এই শুভ  ক্ষণটি আসবে ? আজ আমরা এমন পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ নিয়ে কথা বলব যা ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে ইঙ্গিত দিতে পারে যে আপনার বিবাহের সময় ঘনিয়ে আসছে । এই লক্ষণগুলো শুধু বাহ্যিক নয় বরং আপনার আর্থিক এবং মানসিক প্রস্তুতির ও পরিচয়। প্রিয় পাঠক, আমাদের সাথেই থাকুন কারণ এই আলোচনা আপনার জীবনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

১। প্রথম যে লক্ষণটি আপনার জীবনে বিবাহের ইঙ্গিত দিতে পারে তা হলো ইসলামিক জীবনধারার প্রতি আপনার আকর্ষণ ও আনুগত্য বৃদ্ধি পাওয়া। আল্লাহর প্রতি ভয় ও ভালোবাসা বাড়ছে । পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মনোযোগে আরো গভীর হচ্ছে। কোরআন তেলাওয়াতে তৃপ্তি পাচ্ছেন এবং সুন্নাহ্ অনুসরণের প্রতি আগ্রহ তৈরি হচ্ছে।

 আপনি হয়তো ভাবছেন এর সাথে বিবাহের সম্পর্ক কি  সম্পর্কটা হল একজন মুমিন নারী বা পুরুষ যখন আল্লার কাছাকাছি আসেন তখন আল্লাহ তাদের জন্য উত্তম পথ খুলে দেন। আপনি যখন হালাল উপার্জনের প্রতি মনোযোগী হবেন হারাম থেকে নিজেকে দূরে রাখবেন তখন আল্লাহ আপনার জন্য এমন জীবনসঙ্গী নির্ধারণ করবেন যিনি আপনার দ্বীনকে আরোও মজবুত করবেন।

 নারীরা ভালো পুরুষদের জন্য এবং ভালো পুরুষরা ভালো নারীদের জন্য। (সুরা আন-নুর) আপনি কি লক্ষ্য করেছেন আপনার মধ্যে এর পরিবর্তনগুলো আসছে ? যদি আসে তবে শুকরিয়া আদায় করুন কারন এটি একটি শুভ ইঙ্গিত ।

২।  দায়িত্ববোধ ও পরিপক্কতার অনুভূতিঃ 

দিতীয় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণটি হল আপনার মধ্যে দায়িত্ববোধ ও মানসিক পরিপক্কতার অনুভূতি বৃদ্ধি। বিবাহের জন্য কেবল শারীরিক প্রস্তুতি যথেষ্ট নয় মানসিক প্রস্তুতি অপরিহার্য আপনি হয়তো অনুভব করবেন যে আপনার চিন্তাভাবনা আরও বাস্তববাদী হচ্ছে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনি আরো বিচক্ষণতা দেখাচ্ছেন নিজের পরিবারের প্রতি সমাজের প্রতি আপনার দায়িত্ববোধ বাড়ছে ।

আপনি বুঝতে পারবেন যে বিবাহ কেবল একজন ব্যক্তিকে নিয়ে নয় এটি দুটি পরিবারের মিলন এবং নতুন একটি জীবনের শুরু আপনি তখন কেবল নিজের সুখের কথা না ভেবে অন্যের সুখের কথা ভাববেন সাংসারিক জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার জন্য
 যেমন আগে হয়তো ছোটখাটো বিষয়ে রেগে যেতেন এখন ধৈর্য্য ধরতে শিখছেন ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছেন। গুরুদায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করছেন। এটি একটি প্রাকৃতিক পর্যায়ে যেখানে মানুষ জীবনের এক নতুন স্তরে উন্নতি হয়।      

৩। তৃতীয় লক্ষণটি খুবই শক্তিশালী সঠিক জীবনসঙ্গী পাওয়ার জন্য আপনার আন্তরিক দোয়া এবং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল বৃদ্ধি আপনি হয়তো অনুভব করবেন যে আপনার দোয়ায়ে এক ধরনের আকুতি ও ব্যাকুলতা তৈরি হচ্ছে।

 আপনি শুধু দোয়া করছেন না বরং আল্লাহ তাআলার উপর পরিপূর্ণ ভরসা রাখছেন যে তিনি আপনার জন্য যা ভালো তাই ঘটাবেন যখন একজন বান্দা আন্তরিকভাবে আল্লাহকে ডাকে এবং তার উপর আস্থা রাখে তখন আল্লাহ তাদের ডাকে সাড়া দেন এই দোয়া শুধু মুখে বলা নয় আপনি হয়তো তাহাজ্জত নামাজে উঠে দোয়া করছেন ফরজ নামাজের পর মোনাজাত করছেন।

 অথবা হাঁটতে হাঁটতে    আল্লাহর কাছে মনের কথা বলছেন। আপনি তখন বিশ্বাস করেন যে আপনার জন্য নির্দিষ্ট একজন মানুষ আছেন। এ ধরনের দোয়া ইঙ্গিত দেয় যে আপনি বিবাহের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আল্লাহর উপর আপনার পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে এটি একটি বরকতময় লক্ষণ।

৪। একটি বরকতময় লক্ষণ হচ্ছে, নাম্বার চতুর্থ লক্ষণটি।পারিবারিক ও সামাজিক সমর্থন বৃদ্ধি আপনি হয়তো লক্ষ্য করবেন যে আপনার পরিবার বা আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে আপনার বিবাহের বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে তারা আপনাকে বিয়ের জন্য তাগিদ দিচ্ছেন বা আপনার জন্য উপযুক্ত পাত্র পাত্রী খুজছেন।

আরও পড়ুনঃ জন্ম তারিখ অনুযায়ী আমার বিয়ে কবে হবে

সমাজের মানুষেরা হয়তো আপনাকে দেখে এমন মন্তব্য করছেন যে আপনার তো এখন বিয়ে করা দরকার। ইসলামে বিবাহের ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যখন আপনার পরিবার আপনার পাশে দাঁড়ায় এবং আপনার বিবাহের জন্য চেষ্টা করে তখন এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের সাহায্য।

অনেক সময় সামাজিক চাপও ইতিবাচক হতে পারে যদি তা আপনাকে হালাল পথে এগোতে সাহায্য করে। এ ধরনের সমর্থন ইঙ্গিত দেয় যে আপনার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে পথের দুয়ার খুলছে এতে আপনার জন্য একটি সুযোগ যা আপনাকে শরীয়ত সম্মত পন্থায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে সাহায্য করবে ।

৫। নাম্বার পঞ্চম এবং শেষ লক্ষণটি হল মানসিক প্রস্তুতি ও বিবাহের প্রতি একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। আপনি হয়তো খেয়াল করবেন যে বিবাহের প্রতি আপনার মন থেকে সব দ্বিধা দ্বন্দ্ব কেটে যাচ্ছে। আপনি নতুন জীবন শুরু করার জন্য উন্মুখ। আপনি নেতিবাচক চিন্তা বাদ দিয়ে বিবাহিত জীবনের সৌন্দর্য এবং এর দায়িত্ব বলে নিজেকে ইতিবাচকভাবে চিন্তা করছেন।

আপনি হয়তো বিবাহিত দম্পতিদের দেখে খুশি হচ্ছেন,তাদের জন্য দোয়া করছেন এবং তাদের সুখী জীবনে আপনাকে অনুপ্রাণিত করছেন। আপনার মন থেকে দূর হচ্ছে এবং আপনি আল্লাহর উপর ভরসা করে এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। ইতিবাচকতা আপনার জীবনে বরকত নিয়ে আসবে।

মনে রাখবেন একটি ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে এই যাত্রায় পা রাখা অত্যন্ত জরুরি । আমাদের জীবনে বিবাহের ইঙ্গিত দিতে পারে তবে মনে রাখবেন এগুলোকে বলে ইঙ্গিত কোন চূড়ান্ত ভবিষ্যৎবাণী নয়। আল্লাহ তাআলাই সবকিছুর নির্ধারক।

আমাদের কাজ হল আল্লাহর উপর ভরসা রাখা দোয়া করা এবং নিজেদেরকে দিনের পথে আরও বেশি ধাবিত করা। আপনি যদি লক্ষণগুলো নিজের মধ্যে দেখতে পান তবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন এবং বিবাহের জন্য নিজেকে আরো প্রস্তুত করুন আমাদের প্রত্যেককে উত্তম জীবনসঙ্গী দান করুন এবং আমাদের বিবাহিত জীবনকে বরকতময় করুন আমিন।


আমার-কবে-বিয়ে হবে

দ্রুত বিয়ের জন্য আমল

সুরা ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত

মহান আল্লাহ তা আলা বলেনঃ

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُن وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا.

উচ্চারণ : রব্বানা-হাবলানা-মিন আজওয়াজিনা ওয়া জুরিয়্যাতিনা কুররতা আ-ইউনিউ ওজা আলনা লিল মুত্তাকিনা ইমামা।
অর্থ হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের এমন স্ত্রীও সন্তানাদি দান করো, যারাআমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদের মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দাও।

এই সুরাটি (সূরা ফুরকান আয়াত নাম্বার ৭৪) অবিবাহিতরা বেশি বেশি পড়ুনসাথে দরুদ শরিফ,ইস্তেগফার পড়ুন হে আমাদের পালনকর্তা আমাদের স্ত্রীদেরপক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্য চোখের শীতলতা দানকরো এবং আমাদেরকে মুত্তাকীনদের জন্য আদর্শ স্বরূপ করো।
বিবাহ ইসলামের অন্যতম প্রধান সামাজিক বিধান এবং মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর এক গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ বিয়ে করার শুধু মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু অলাইহিস ওয়া সাল্লাম ﷺ এর সুন্নাত নয় বরং তা অন্যান্য নবীগণেরও শুননা আল্লাহ তা'আলা বলেন

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا رُسُلاً مِنْ قَبْلِكَ وَجَعَلْنَا لَهُمْ أَزْوَاجاً وَذُرِّيَّة
আমি আপনার পূর্বে অনেক রাসুল প্রেরণ করেছি এবং তাদেরকে স্ত্রী ও সন্তান দিয়েছি (সূরা রাদ ৩৮ নম্বর আয়াত) রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু অলাইহিম ওয়া সাল্লাম ﷺ বলেন ”নিশ্চয়ই আমি নারীদের বিয়ে করি সুতরাং যে আমার সুন্নাহ থেকে বিমুখ হবে সে আমার উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত(সহিহ বুখারী ৫৬৩ নম্বর হাদিস ও সহিহ মুসলিম ১৪০১ নম্বর হাদিস)।

প্রতিদিন ফজর এবং মাগরিবের ফরজ নামাজের পর পড়বেন।
১। দরুদে ইব্রাহিম- ৩ বার।

اَللّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُح

অর্থঃ হে আল্লাহ হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)ﷺ উপর এবং হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)ﷺএর বংশধর গণের উপর রহমত নাযিল করুন।

كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ

অর্থঃ যেমন আপনি রহমত নাযিল করেছিলেন ইব্রাহীম (আঃ) এবং ইব্রাহীম (আঃ)এর বংশধরগনের উপর।
 
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ

অর্থঃ নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়।
 
اَللّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ اٰلِ مُحَمَّدٍ

অর্থঃ হে আল্লাহ মোহাম্মদ(সাঃ)ﷺ এর উপর এবং মোহাম্মদﷺ এর বংশধরগনের উপর ব

كَمَا بَارَكْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ اٰلِ إِبْرَاهِيمَ

অর্থঃ যেমন আপনি বরকত দিয়েছিলেন ইব্রাহিম এবং ইব্রাহিম এর বংশধর জ্ঞানের উপর
إِنَّكَ حَمِيدٌ مَّجِيدٌ

অর্থঃ নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসনীয় ও সম্মানীয়।

বুখারী ৩৩৭০
সূরা কাসাসের ২৪ নাম্বার আয়াতের অংশ ৭ বার

২। সূরা কাসাসের ২৪ নং আয়াতের অংশ (৭ বার)

رَبِّ اِنِّيْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَق

রাব্বি ইন্নি লিমা আনঝালতা ইলাইয়া মিন খাইরুন ফাকির আরবি পড়া উত্তম বাংলায় পড়লে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
আয়াতের অর্থঃ হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাজিল করবেন, আমি তার
মুখাপেক্ষী। কখন কোন পরিস্থিতিতে মুসা (আঃ) এই দোয়া পাট করেছিলেন তা বুঝতে সূরা কাসাস এর ১৫ হতে ২৪ নম্বর আয়াত পড়তে পারেন।

আরও পড়ুনঃ বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে গিয়ে মেয়েকে কি প্রশ্ন করবেন


৩। সুরা তওবা ১২৯ নম্বর আয়াতের অংশ সাত বার
 
حَسْبِيَ اللّٰهُ ﻵ إِلٰهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ

”হাসবি আল্লাহু লা.... ইলা-হা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযীম।”
(আরবি পড়া উত্তম তবেবাংলায় পড়লে হবে কিন্ত ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে)

আয়াতের অর আমার জন্য আল্লাহ্ই যথেষ্ট তিনি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ্ নেই ।আমি তাঁরই উপর
নির্ভর করি এবং তিনি মহা আরশের রব।

৪। ইস্তেগফারের সংক্ষিপ্ত ‍দু’আ (৭ বার) ”আল্লাহুম্মা খিরলী ওয়াখ তারলী।”

আরবি পড়া উত্তম তবে বাংলায় পড়লে হবে কিন্ত ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আয়াতের অর্থঃ হে আল্লাহ্ ! আমার জন্য যেটা মঙ্গল সেদিকে আমাকে চালিত করুন।

‏ اللَّهُمَّ خِرْ لِي وَاخْتَرْ لِي

সুনান তিরমিযী ঃ ৩৫১৬

সুনান ইবনু মাযাহ্ ঃ ১৫৫
৫। দরুদে ইব্রাহীম-৩ বার মুফতি আরিফুল ইসলাম কর্তৃক আমলকৃত এবং বর্ণনাকৃত ইরানের একজন শায়েখ থেকে এই আমলটি করার পর এক গ্লাস পানি নিন। তাতে নিয়্যত সহ সাত বার করে সুরা ফাতিহা, সূরা নাস, সূরা ফালাক, সূরা ইখলাস, সূরা কাফিরুন এবং আয়াতুল কুরসিপড়ে ফুদিন প্রতিবার সূরা পড়ার পর একবার করে পানিতে ফু দিবেন এরপর এই পড়া পানি টুকু নিয়্যত অনুযায়ী পান করবেন।
নিয়্যাত ঃ বিয়ের উপর থাকা সফল বাঁধা অথবা যাদু টোনা, নজর ,হাসাদ ও জ্বিনকে ধ্বংস করা।
কোরআন হাদিসের আলোকে-দ্রুত বিয়ে হওয়ার কিছু আমল -শায়েখ আতিক উল্লাহ
১। বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক ইস্তেগফার পড়ে হবে উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।
২। সূরা ফুরকানের ৭৪ নাম্বার আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই সুযোগ পেলেই এই দোয়াটি গভীর আবেগ ও মনযোগ সহকারে আল্লাহর উপর ভরসা ও বিশ্বাস নিয়ে পড়তে হবে।
 
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَأَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

৩। বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দোয়া কবুল হওয়ার সময় গুলো একটাও যেন দোয়া বিহীন না থাকা।

৪। আমল ও দুয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্রপাত্রীর খোঁজ করা জরুরী।

৫। অনেক সময় যাদু, শিহর করে বিয়ে আটকে রাখা হয়। এজন্য রুকাইয়াহ্ করা।
 
৬। নিয়মিত সাদকা করা।

দ্রুত বিয়ে হওয়ার দোয়া ও আমল

رَبِّ لَا تَذَرۡنِیۡ فَرۡدًا وَّ اَنۡتَ خَیۡرُ الۡوٰرِثِیۡنَ

রাব্বি লা তাযারনী ফারদাওঁ ওয়া আনতা খইরুল ওয়ারিসীন।

অর্থ : হে আমার রব/প্রতিপালক! আমাকে একা রেখো না তুমি তো উত্তম ওয়ারিশ।

”ইয়া ফাত্তাহু” (প্রতিদিন ফজরের নামাজের সালাম ফেরার পর বাম হাতের উপর ডান হাত রেখে ৪১ বার জিকির বা পাঠ করলে ইনশাল্লাহ ৪০ দিনের মধ্যে বিবাহ ব্যবস্থা হয়ে যাবে)।

”ইয়া লতিফু” (কোন কুমারী মেয়ে বিবাহের নিয়তে অজু করে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়ে শুক্রবারে এক ১০০০ বার এই গুণবাচক নামটি পাঠ করলে ইনশাল্লাহ অল্প দিনের মধ্যেই ভালো পাত্রের সাথে বিবাহ হয়ে যাবে)।

বিয়ের সহজ আমল ৯০ দিন আমলটা করে দেখুন

رَبِّ اِنِّيْ لِمَاۤ اَنْزَلْتَ اِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَق

সূরা কাসাস, ২৪ নম্বর আয়াত:( ১২১ বার রাতে শোয়ার আগে পড়বেন আগে পরে ১১ বার করে দরুদ শরীফ পাঠ করে নিবেন, দুই রাকাত সালাত আদায়ের পর দোয়া পড়তে হবে)।

দ্রুত বিয়ে হওয়ার পরীক্ষিত আমল: প্রতিদিন যোহর এবং এশার নামাজের পর সূরা মমতাহিনাহ এর ১ ও ২ নাম্বার আয়াত ৭ বার পাঠ করা।

ফজিল: ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) এর মতে এই আয়াত দ্বয় নিয়মিত পড়লে আল্লাহতালা তার দ্রুত সুব্যবস্থা করে দিবেন। একটি শয়তানের বাধা ও মানসিক অশান্তিও দূর করে।
বিয়ে সংক্রান্ত রুকাইয়াহ

সূরা আরাফের ১১৭ হতে ১২২ সূরা ইউনূসের ৮১ হতে ৮২,সূরা ত্বহা এর ৬৯ নম্বর আয়াত এবং সুরা ফাতিহা , সুরা ফালাক,সুরা নাস তিনবার করে পড়ে পানিতে ফু দিন।

১। এই পানি প্রতিদিন দুই বেলা খেতে হবে

২। প্রতিদিন গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করতে হবে।এই আমলগুলো ২১/৪১ দিন করবেন। আর রুকাইয়ার পানি যদি শেষ হয়ে যায় তবে এক বোতল পানিতে উল্লেখিত আয়াতগুলো পড়ে ফু দিলেই হবে।

৩। প্রতিদিন অন্তত দুই ঘণ্টার রুকাইয়া শুনতে হবে আয়াতুল কুরসি এক ঘন্টা এবং সূরা ইখলাস সুরা ফালাক ও সুরা নাস এর ১ ঘন্টা এভাবে একমাস করবেন।

৪। পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যত্ন সহকারে আদায় করতে হবে এবং কোন ফরজ ইবাদতের ত্রুটি করা যাবে না

৫। মুভি মিউজিক এ ধরনের হারাম বিষয় থেকে দূরে থাকতে হবে মেয়েরা অবশ্যই শরীয়তের বিধান অনুযায়ী পর্দা করতে হবে।

৬। শয়তান থেকে বাঁচতে সকাল সন্ধ্যার মাসনুন শুনুন আমল গুলো গুরুত্ব সহকারে আদায় করতে হবে।

৭। অর্জন করা থেকে বিরত থাকা

৮। ঘুমের সময় সূরা ইখলাস,ফালাক ও নাস পড়ে দুই হাতের তালুতে ফু দিয়ে সারা শরীরে হাত বুলিয়ে নিতে হবে। এভাবে তিনবার করবেন এবং ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়ে নিতে হবে

৯। বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দোয়া কবুল হওয়ার সময় গুলো একটাও দোয়া বিহীন যেন না যায়

১০। সূরা ফুরকানের ৭৪ নাম্বার আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়তে পারেন।

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

১১। সূরা কাসাস এর ২৪ নম্বর আয়াতে বর্ণিত দোয়াটাও বেশি বেশি পড়তে পারি।

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

এই দোয়ায় বিয়ে বিবি বাচ্চা চাকুরী ঘরবাড়ি সবকিছুর ব্যবস্থা হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।

১২। বেশি বেশি ইস্তেগফার করা যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক ইস্তেগফার করা, উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।

১৩। আমল ও দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী

১৪। মা বাবার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা জরুরি

১৫. আল্লাহর উপর পুরো ভরসা রাখা।

১৬। নিয়মিত সদকা করা

১৭। অন্য মুসলিম ভাই বোনের জন্য বিয়ের দোয়া করা

১৮। বিয়ে বন্ধের ব্যাপার যদি যাদু কিংবা জ্বিনের ক্ষতি সাধন করা হয়েছে এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানা গেলে তাহার জন্য রুকাইয়া (সেল্ফ রুকাইয়াহ্ কিংবা সরাসরি ভালো বিজ্ঞ রাকির দ্বারা) কর

১৯। বিয়ের জন্য ঘরে তাবিজ কবজ ঝোলানো থাকলে সেগুলো অবশ্যই রুকাইয়া এর পদ্ধতিতে নষ্ট করা

২০। দ্রুত বিয়ের জন্য তান্ত্রিক কুফরী কবিরাজ ও জ্বিনদের সাহায্য গ্রহণ করা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত থাকতে হবে কেননা এগুলো শিরক ও কুফরী।

বিয়ে বন্ধের সেল রুকাইয়া করার পাশাপাশি দেখতে আসলে এই কাজগুলো করবেন।

  • পুরো বাসায় ভিতর বাহির পড়া পানি ছিটাবেন।
  • দেখতে আসার আগে বড়ই পাতায় পাতার গোসল করাবেন ।
  • আগের দিন রাতে পুরো শরীর অলিভ অয়েল মেখে সুরা বাকারা শুনবেন।
  • সকালে পেট ভরে পড়া পানি খাবেন।
  • বেশি বেশি আয়াতে কারিমা পাঠ করতে থাকবেন।
  • (লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতুম মিনাজ যোয়াল্রেমিন)
  • সাথে প্রচুর পরিমাণে ইয়া ফাত্তাহুও ইয়া আজিজু পড়বেন।

আরও পড়ুন ঃরুলিং নাাম্বারএবং পারসোন্যাল নাম্বার দিয়ে কিভাবে বিয়ের তারিখ বের করা যায়

জন্মবার থেকে বিবাহের বয়স জানুন এখন আমি আপনাকে একটি ইন্টারেস্টিং অংক কষে দেখাবো কিভাবে আপেনি আপনার জন্মবার থেকে আপনার বিয়ে কত বছর বয়সে হবে তা আপনি নিজেই নিজের বিবাহ কোন মাসে কত বছর বয়সে বিবাহ হবে তা আপনি বের করতে পারবেন। তাহলে আসুন অংকটি করে দেখায় ।
  • শনিবার-৩৮৮
  • রবিবার-৭৬৫
  • সোমবার-৩৮৬
  • মঙ্গলবার-২৮৮
  • বুধবার-৩৭৪
  • বৃহস্প্রতিবার-৮৭৪
  • শুক্রবার-৭৮৬
উপরে উল্লেখিত বারের ডান পাশে যে সংখ্যা গুলো দেখছেন ওগুলো প্রতি বারের মান দেওয়া হয়েছে। তাহলে আসুন ধেখা যাক অপনার বিয়ে কোন বছর কোন মাসে হবে তা বের করা যাক।
মনে করেন আপনার জন্ম হয়েছে শুক্রবারে তাহলে সুত্র মতে শুক্রবারের মান হচ্ছে ৭৮৬ এখন সংখ্যতন্ত্রের সুত্র অনুযায়ি উক্ত মানকে একক সংখ্যায় ভেংগে যোগ করতে হবে যেমন- (৭+৮+৬)= ২১ তাহলে যোগফল ২১ হলো । এখন ২১ কে একবার ৭,একবার ৮ এবং ৬ দিয়ে আবার যোগ করতে হবে। তাহলে বছর বের হবে। যেমনঃ
  • ২১+৭=২৮ বছর
  • ২১+৮= ২৯ বছর
  • ২১+৬= ২৭ বছর
তাহলে যদি আপনার জন্ম মুক্রবারে হয় তাহলে আপনার বিয়ে ২৭ বর থেকে ২৯ বছরের মধ্যেই হবে ইনশাল্লাহ যদি না কোন সমস্যা থাকে।
এবার আসা যাক আপনার কোন মাসে বিয়ে হবে
  • ২৮ = (২+৮) = ১০ মানে “অক্টোবর মাস”
  • ২৯ = (২+৯) = ১১ মানে-”নভেম্বর মাস”
  • ২৭ = (২+৭) = ৯ -মানে “ সেপ্টেম্বর মাস”
তাহলে আপনার বিয়ে হবে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে।

শেষ কথা

আমার কবে বিয়ে হবে,শেষ কথার আসল কথা হচ্ছে বিয়ে এমন একটা জিনিষ কারোর জন্য ”পুষ মাস আবার কারোর জন্য সর্বনাশ” আবার বলা হয়- “সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে,ভাগ্যবান পতি যদি মিলে তার শনে”। অতএব বিয়ে করার আগে দশবার ভাবুন,ভেবে চিন্তে দেখে শুনে কোরআন হাদিসের আলোকে পরেহেজগার দ্বীনি/দ্বীনদার জীবন সঙ্গী/সঙ্গীনি নির্বাচন করুন তারপর বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিন তানা হলে “উইকেট পড়ে যেতেও পারে। তবে বিয়ে হচ্ছে একটি ভাগ্যের ব্যাপার সবিই মহান আল্লাহ তা আলার ইচ্ছাতেই হয়। কেউ সুখি হতে পারে আবার কেউ সুখি না হতেও পারে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

থ্রিক্যাটভিলাতে নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md. Sirajul islam
Md. Sirajul islam
একজন থ্রিক্যাটভিলার এডমিন । তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।